1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

কৃষকের ঘরে ঘরে ‘বৈশাখী’ আনন্দ

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

সামছুল ইসলাম সরদার ::
বৈশাখী ফসলের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত দিরাই উপজেলার হাওর পাড়ের ৯৫ ভাগ জনগণের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ‘বৈশাখী ফসলে’র বা¤পার ফলন হয়েছে। গত কয়েক বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষক তাদের আশা অনুযায়ী ফসল না পেলেও দীর্ঘদিন পর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ধান কাটার শ্রমিক সংকট না থাকাসহ অন্যান্য ঝামেলা ছাড়া তাদের বা¤পার ফলন নিজ ঘরে তুলতে পেরেছেন। এ জন্য হাওরপাড়ের কৃষকের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। লকডাউন আর পবিত্র রমজানের মাঝে ঘরে ঘরে চলছে ‘বৈশাখী’ উৎসব।
হাওরপাড়ের কৃষকের সাথে আলাপ করলে তারা আনন্দ অনুভূতি ব্যক্ত করেন। চাপতি হাওরপাড়ের কৃষক লিটন চৌধুরী বলেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আশানুরূপ ফসল তুলতে পারিনি। এর মধ্যে ছিল ধান কাটার শ্রমিক সংকট। এবারই প্রথম আল্লাহর রহমতে কোনো প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন না হয়ে আমরা সোনার ফসল ঘরে তুলেছি। ধানের হয়েছে বা¤পার ফলন, বর্তমানে ধানের বাজার মূল্য ও সন্তোষজনক। তাছাড়া সরকার সময়মতো ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করার আমাদের ধান কাটার জন্যও চিন্তা করতে হয় নাই। যার কারণে লকডাউন ও পবিত্র রমজান মাসের কষ্ট আমরা টের পাইনি। আমাদের জীবন যাপনের একমাত্র অবলম্বন বৈশাখি ধান ঘরে আনতে পেরে সত্যিই আমরা আনন্দিত। আজ কৃষকের ঘরে ঘরে চলছে উৎসব। একই অনুভূতি ব্যক্ত করলেন বরাম হাওরের কৃষক রায়হান মিয়া ও রাসেল মিয়া।
কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আমাদের টাংনি, চাপতি, বরামসহ অধিকাংশ হাওরে বোরো ফসলের বা¤পার ফলন হয়েছে । যার কারণে আজ আমাদের হাওরপাড়ের কৃষক মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। ঘরে ঘরে চলছে বৈশাখী উৎসব। যদি প্রতিবছর এভাবে আমাদের কৃষকরা তাদের বৈশাখি ধান গোলায় তুলতে পারত তাহলে আমাদের কৃষিনির্ভর এলাকা অনেক এগিয়ে যেতো।
দিরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, দিরাইয়ে এবার ৩০ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়। কোনো প্রকার দুর্যোগ না হওয়ার ধানের বা¤পার ফলন হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপন্ন হয়েছে। সরকার সময় মতো ধানকাটার মেশিন সরবরাহ করায় খুব দ্রুত কৃষক তাদের ধান ঘরে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com