1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ১২:৪১ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

দোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বন্ধ রাখা হয়েছে করোনা টেস্ট!

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

আশিস রহমান ::
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ইউনিট এখন নামেমাত্র রয়েছে। তা থেকে সেবা পাচ্ছেন না সেবাগ্রহিতারা। পর্যাপ্ত ডিভাইস থাকা স্বত্ত্বেও গত কয়েক দিন ধরে করোনা টেস্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। জনবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে করোনা টেস্ট বন্ধ করে দেওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেবাগ্রহিতারা। তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টেস্ট করাতে এসে অনেকেই হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টেস্ট বন্ধ থাকায় জেলা সদর হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। এতে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছেন তারা।
অভিযোগ রয়েছে, দোয়ারাবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলেও তারা জনবল সংকটের দোহাই দিয়ে দায় সারছেন। উল্টো পরামর্শ দিচ্ছেন করোনা পরীক্ষা করাতে জেলা সদর হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে। এতে একদিকে নাজুক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, অপরদিকে লকডাউনে যানবাহন চলাচল সীমিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবাগ্রহিতারা।
শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বুধবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১২টায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে করোনা টেস্ট করাতে আসেন দোয়ারাবাজার উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও নূরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহম্মদ মশিউর রহমান। তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বর ও ব্যথায় ভোগছি। করোনা টেস্ট করাতে গত তিনদিন ধরে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। হাসপাতালের টিএইচও ডা. দেলোয়ার হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি আমাকে জেলা সদর হাসপাতালে করোনা টেস্টের পরামর্শ দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন জনবল সংকট থাকায় করোনা টেস্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনদিন অপেক্ষা করে আজ জেলা সদর হাসপাতালে এসে করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দিলাম। জনবল সংকট থাকলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল ঘোষণা দিয়ে করোনা টেস্ট বন্ধ রাখা।
শুধু শিক্ষক মশিউর রহমানই নয়, গত কয়েক দিন ধরে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টেস্ট করাতে এসে তার মতো অনেকেই টেস্ট না করে হতাশ হয়ে ফিরেছেন।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আল আমিন জানান, জনবল সংকটের কারণে করোনা টেস্ট করা হচ্ছে না।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শামস উদ্দিন জানান, করোনা টেস্ট বন্ধ রাখা হয়নি। আজকেও স্যা¤পল পাঠানো হয়েছে। আমি বিষয়টি দেখব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com