1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

লোকবল সংকট : ধুঁকছে জামালগঞ্জ ভেটেরিনারি হাসপাতাল

  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১

বাদল কৃষ্ণ দাস ::
দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে নিয়মিত সেবা ও চিকিৎসা কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। দায়িত্ব পালনে হিমসিম খাচ্ছেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। আর এতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রাণিস¤পদ প্রতিপালক কৃষক ও বাণিজ্যিক খামারিরা। জামালগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলোতে সব মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় অর্ধলক্ষ গবাদিপশু, সাড়ে চার লক্ষাধিক হাঁসমুরগি রয়েছে। উন্নত জাতের গাভীর খামার ২৫টি, ছাগলের খামার ২২টি, ভেড়ার খামার ৩৫টি, হাঁসমুরগির মৌসুমী খামার রয়েছে কয়েক’শ। যেগুলোর নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দানে একমাত্র প্রাণিস¤পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি হাসপাতালই ভরসা। এতে উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনুমোদিত লোকবল প্রয়োজন ১১ জন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত মাত্র দুই জন যাবতীয় কার্যক্রম জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ঢালাও বদলিজনিত কারণে সেবাখাতে নির্ভরশীল উপ-সহকারি প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ অন্যত্র চলে যাওয়ায় মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাণিস¤পদ চিকিৎসার যাবতীয় কার্যক্রম। একমাত্র কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আবুল কাশেম একাকী হিমসিম খাচ্ছেন অফিস পরিচালনা ও চিকিৎসা দানে। প্রতিনিয়ত লোকজন তাদের অসুস্থ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়ছেন।
গত ১৮ মার্চ উপজেলার প্রাণিস¤পদ কার্যালয়ে গিয়ে লোকবল সংকটের দুরবস্থা লক্ষ করা গেছে। এসময় উপজেলা সদরের তেলিয়া গ্রামের গাভীর খামারি ইকবাল হোসেন, সাচনাবাজারের খামারি সজীব, সুধাংশু জানান, এই পশু হাসপাতালে ভেটেরিনারি চিকিৎসক ও অন্যান্য লোকবল না থাকায় আমরা সব রকম খামারে প্রানি চিকিৎসা নিয়ে চরম বিপাকে আছি। সময় মতো পরামর্শ ও চিকিৎসা না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খামারিরা।
উপজেলা প্রাণিস¤পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আবুল কাশেম জানান, এই অফিসে ১১জন লোক থাকার কথা। এর মধ্যে প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা ০১ জন, ভেটেরিনারি সার্জন ০১ জন, এসএএল প্রশাসন ০১জন, এসএএল সম্প্রসারণ ০৩ জন, এসএএল প্রাণিস্বাস্থ্য ০১ জন, এসএএল উৎপাদন ০১জন, অফিস সহকারি ০১জন, ড্রেসার ০১ জন, অফিস সহায়ক ০১ জন মঞ্জুরিকৃত পদ রয়েছে। কিন্তু এই ১১জনের কাজ তিনি একাকী আর কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। কাজের চাপ থাকার কারণে সদ্য বদলি হয়ে যাওয়া উপ-সহকারী প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফকে কিছু দিনের জন্য সুনামগঞ্জ সদর কার্যালয় থেকে চেয়ে এনেছেন।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাণিস¤পদ বিভাগে নতুন নিয়োগ হচ্ছে না। আমরা লোকবল নিয়োগের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। কিন্তু মন্ত্রণালয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের জেলা দপ্তরের কিছুই করার নেই। নতুন লোকবল নিয়োগ হলে এই সমস্যা থাকতো না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com