মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

Notice :

আমার সোনার বাংলা : অনুপ তালুকদার

বিদায় বিষময় বছর ২০২০। এ বছরটি যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছিল যেমনটা হয়েছিল পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের “পল্লীজননী” কবিতার সেই দুঃসহ রাতটি। তারপরও করোনার এই সময়ে পূর্বদিগন্তে উদিত হয়েছে নতুন সূর্য। স্বাগত-২০২১। স্বাগত সুনামকণ্ঠ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জানাই রক্তিম অভিবাদন।
বিগত বছরটি কিন্তু এমন হওয়ার কথা ছিল না। বছরের শুরুতে ফেসবুকের টাইমলাইনে ভেসে উঠেছিল বর্ণিল ২০২০। সংখ্যাতত্ত্বের দিক থেকে পাশাপাশি দুটি জোড় সংখ্যা তাও আবার একই। আমাদের দেশে এর গুরুত্ব ছিল আরও অধিক কারণ ২০২০ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তাই সারা বছরজুড়েই নেয়া হয়েছিল নানা কর্মসূচি। বছরের নামকরণ হয়েছিল মুজিব বর্ষ। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। কিন্তু মুজিব বর্ষের প্রাক্কালেই হানা দিল করোনা মহামারি। থমকে গেল সবকিছু। সারাদেশে শুরু হল লকডাউন। নতুন প্রজন্ম সম্মুখীন হল এক অন্যরকম পরিস্থিতির। ঘরবন্দি জীবন বহুদিন আসেনি এমন বিরূপ অবস্থা। তারপর কিছুদিন কাটতেই সবকিছু যেন স্বাভাবিক হতে শুরু করল। মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়াল।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “…বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না”। করোনা মহামারি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহসী নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে দুর্বার গতিতে। সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে দৃশ্যমান হয়েছে স্বপ্নের পদ্মাসেতু। আনন্দে উদ্বেলিত জাতি তাই মুজিব বর্ষের পরিধি বাড়িয়েছে বিজয় বিবস-২০২১ পর্যন্ত।
মুজিব শতবর্ষে আরো দু’জন কৃতী বাঙালীর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী। একজন বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) অপরজন তত্ত্ববোধিনী পাঠশালার ভূগোল ও পদার্থবিদ্যার শিক্ষক অক্ষয় কুমার দত্ত (১৮২০-১৮৮৬)। ১৮২০ সালের ১৫ জুলাই বর্ধমান জেলার নবদ্বীপের কাছে চুপী গ্রামে জন্ম অক্ষয় দত্তের। তার পিতা পীতাম্বর দত্ত কলকাতার কুতঘাটের পুলিশ-কার্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং পরে সাব-ইন্সপেক্টর হয়েছিলেন এবং মাতা দয়াময়ী দেবী ছিলেন গৃহিণী।
গ্রামের বিদ্যালয়ে হাতেকড়ির পর তিনি ভর্তি হন কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে। ওখানে আড়াই বছর অধ্যয়নের পর পিতার মৃত্যুজনিত কারণে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অবসান ঘটে। অদম্য জ্ঞান¯পৃহার কারণে বাড়িতে নিজ উদ্যোগে পড়াশোনা চালিয়ে যান। স্কুলশিক্ষক, বহুভাষাবিদ পণ্ডিত জেফ্রয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রীক, লাটিন, জার্মান, ফরাসি, হিব্রু ভাষা ছাড়াও পদার্থবিদ্যা, ভূগোল, জ্যামিতি, বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, সাধারণ বিজ্ঞান শিখেছিলেন। ফারসি ও আরবী ভাষাও তিনি আয়ত্ত্ব করেছিলেন। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার স¤পাদক থাকাকালে তিনি কলিকাতা মেডিকেল কলেজে অতিরিক্ত ছাত্র হিসেবে উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, রসায়নশাস্ত্র ও প্রকৃতিবিজ্ঞান পড়েছিলেন।
অপরদিকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম অক্ষয় দত্তের ঠিক দুই মাস পর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মেদেনিপুরের বীরসিংহ গ্রামে। দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেও তিনি সংস্কৃতে বিশাল পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন। নিয়মিত বৃত্তি পেয়ে একটানা বারো বছর সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করেছিলেন এবং কলেজে অধ্যয়নকালেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি প্রাপ্ত হন। উল্লেখ্য তার পারিবারিক উপাধি ছিল শর্মা।
১৮৪১ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে পাশ করার পরই বিদ্যাসাগর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে প্রধান পণ্ডিতের চাকুরী পেয়ে গেলেন। ফোর্ট উইলিয়াম কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তিনি ইংরেজি শেখার প্রতি আগ্রহী হন। বিদ্যাসাগর শোভাবাজারের রাধাকান্ত দেব-এর দৌহিত্র আনন্দকৃষ্ণ বসুর কাছে শেক্সপীয়ার পড়তে যেতেন। শেক্সপীয়ারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অনুরাগেই বিদ্যাসাগর “দ্যা কমেডি অব এরর”-এর “ভ্রান্তি বিলাস” নাম দিয়ে অনুবাদ করেন। ইংরেজি ভাষা চর্চা করলেও মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির প্রতি ছিল গভীর মমত্ত্ববোধ। তাই চারিদিকে মেয়েদের দুঃখ ও অনিশ্চয়তা দেখে মাতৃহৃদয়স¤পন্ন বিদ্যাসাগর অত্যন্ত কাতর থাকতেন। বিধবা বিবাহ আইন পাস করে মূলত মেয়েদের দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করেছেন যদিও তার জন্য তাঁকে অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়েছে। এমনকি নিজের পুত্রকে একজন বালিকাবিধবার সাথে বিবাহ দিয়েছিলেন। এক বন্ধুর শিশুকন্যা প্রভাবতীর অকালপ্রয়াণে তিনি রচনা করেছিলেন “প্রভাবতী সম্ভাষণ”। বিদ্যাসাগরকে বলা হয় সমাজসংস্কারক। তিনি শুধু বিধবাবিবাহ চালু করেই খান্ত হননি , তিনি ব্রাহ্মণের সাথে অব্রাহ্মণ বিধবার বিয়ে দিয়ে বর্ণপ্রথাকেই মূলত উচ্ছেদ করার চেষ্টা করেছেন। সেই হিসেবে বিদ্যাসাগর সমাজবিপ্লবের অগ্রপথিক। বিদ্যাসাগর ব্যক্তিত্বের প্রশ্নে ছিলেন অনমনীয়। ভাল বেতনে সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন কারণ সংস্কৃত কলেজের চাকরিটা তার কাছে অসম্মানজনক মনে হচ্ছিল। চাকরি ছেড়ে দিলে অনেকেই বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, “চাকুরী ছেড়ে দিলেন? খাবেন কী?” বিদ্যাসাগর বলেছিলেন, “কেন আলু পটল বেচিব, মুদীর করিব, তবুও যে পদে সম্মান নাই, সে পদে থাকিতে চাই না”। আলু পটল না বেচলেও বই বিক্রি করেছেন।
ছোট্টবেলায় বিদ্যাসাগরের “বর্ণ পরিচয়” বই দিয়ে আমাদের বর্ণ পরিচয় হয়েছিল যা ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। অপরদিকে ১৮৪১ সালে অক্ষয় দত্ত “ভূগোল” নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন যখন তার বয়স ২১, যা আমরা ছোটবেলায় পড়েছি। সেই বইটিতে ভূগোলকে নিম্নরূপ সংজ্ঞায়িত হয়-
“যে বিদ্যা দ্বারা পৃথিবীরআকার পরিমাপ এবং তাহার উপরিভাগস্থ স্থানসমূহ সমুদয় জ্ঞাত হওয়া যায় তাহার নাম ভূগোল বিদ্যা। ভূ শব্দের অর্থ পৃথিবী এবং গোল শব্দের অর্থ গোলাকার, অতএব গোলাকার পৃথিবী বিষয়ক বিদ্যাকে ভূগোল কহা যায়। পৃথিবীর আকৃতি প্রায় গোল যেমন কমলালেবু গোলাকার। অথচ বোঁটার নিকট কিঞ্চিৎ নিম্ন, সেইরূপ পৃথিবীও গোল কিন্তু উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিৎ চাপা”।
এই বইটি ইংরেজি থেকে অনুদিত ছিল এবং এতে তিনিই প্রথম যতি চিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহার করেছিলেন যা বিদ্যাসাগর আরও পরে বেতাল পঞ্চবিংশতি-তে ১৮৪৭ সালে ব্যবহার করেছিলেন। যদিও বিদ্যাসাগরের এই বইটিও ছিল হিন্দী ‘বেতাল পচ্চিসী’ থেকে অনূদিত। অক্ষয় দত্ত ও বিদ্যাসাগর দুজনই অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। মাতৃভাষা চর্চার ক্ষেত্রে দু’জনই ছিলেন অনন্য। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষাব্রতী ডেভিড হেয়ারের মৃত্যুর পর প্রথা ভেঙে বাংলায় বক্তৃতা করেন। পরবর্তীকালে ১৯৫২ সালের ২-১২ অক্টোবর চীনের পিকিংয়ে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য মনোজ বসু (১৯০১-১৯৮৭) বাংলায় বক্তৃতা করেন। এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন, “আমি বক্তৃতা করলাম বাংলা ভাষায়, আর ভারত থেকে বক্তৃতা করলেন মনোজ বসু বাংলা ভাষায়। [—] অনেকেই আমাদের জিজ্ঞাসা করলো, ভারত থেকে একজন বাংলায় বক্তৃতা করলেন, আর পাকিস্তান থেকেও একজন বক্তৃতা করলেন, ব্যাপার কী? আমি বললাম, বাংলাদেশ ভাগ হয়ে একভাগ ভারত আর একভাগ পাকিস্তানে পড়েছে। বাংলা ভাষা যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষা এ অনেকেই জানে। ঠাকুর দুনিয়ার ‘ট্যাগোর’ নামে পরিচিত। যথেষ্ট সম্মান দুনিয়ার লোক তাঁকে করে। আমি বললাম, পাকিস্তানের শতকরা ৫৫ জন লোক এই ভাষায় কথা বলে। এবং দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ভাষার অন্যতম ভাষা বাংলা।” (আমার দেখা নয়া চীন, শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলা একাডেমী, ২০২০, পৃ. ৪৩-৪৪)।
বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, “আমার বক্তৃতার পরে মনোজ বসু ছুটে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “ভাই মুজিব, আজ আমরা দুই দেশের লোক, কিন্তু আমাদের ভাষাকে ভাগ করতে কেউ পারে নাই। আর পারবেও না। তোমরা বাংলা ভাষাকে জাতীয় মর্যাদা দিতে যে ত্যাগ স্বীকার করেছ আমরা বাংলা ভাষাভাষী ভারতবর্ষের লোকেরাও তার জন্য গর্ব অনুভব করি”। …ক্ষিতীশ বাবু পিরোজপুরের লোক ছিলেন, বাংলা গানে মাতিয়ে তুলেছেন। সকলকে বললেন, বাংলা ভাষাই আমাদের গর্ব”। (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ২০১২ পৃ-২২৮)।
বঙ্গবন্ধু ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের হয়ে যে নির্বাচনে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন তার সেই নির্বাচনী ইশতেহারে ২১ দফার অন্যতম ছিল বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা, ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা, ভাষা শহীদদের স্মৃতিরক্ষার্থে শহীদ মিনার নির্মাণ। পাকিস্তান ১৯৫৬ সালে সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। “এ ব্যপারে বেশির ভাগ রাজনৈতিক নেতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও শেখ মুজিব তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,- “এটা বাংলাভাষাকে জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠার এক ধাপ মাত্র, এই ভাষা জাতীয় জীবনে ও সরকারি কাজকর্মের সর্বস্তরে ব্যবহার না করা হলে, শিক্ষার মাধ্যম না করা হলে কেবল অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কেতাবি স্বীকৃতি দ্বারা কোনো লাভ হবে না”। (বাংলা ভাষা ও বঙ্গবন্ধু, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, কালের কণ্ঠ, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। এই বাংলা ভাষাকে ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বমঞ্চে অন্যতম মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন আর ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের তাক লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। তারও আগে ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত ৭৩ জাতির জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু বাংলায় বক্তৃতা করেন।
বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক গানই পছন্দ করতেন। অনেকের স্মৃতিচারণায় জানা যায় ‘ও আমার দেশের মাটি…’ এবং ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গান দুটি তার ভীষণ প্রিয় ছিল। ‘চিত্রালী’ ছিল এক সময়ের খুবই জনপ্রিয় পত্রিকা। একাত্তরের মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে যে সংখ্যাটি বেরোনোর কথা ছিল, সেটি ছাপা হলেও বাজারে দেওয়া যায়নি। পঁচিশে মার্চ কালরাতের তাণ্ডবে সবকিছুই এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। চিত্রালীও বাজারে যায়নি। দেশ হানাদারমুক্ত হলে চিত্রালীর সেই সংখ্যাটি নতুন করে ছাপা হয়েছিল। প্রথম পৃষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত ভঙ্গি দূরে তাকানো, ঔদাস্যের আনন্দ চোখে-মুখে, সেই ছবি-ফিচারের শিরোনাম করেছিল- ‘নেতা সেদিন গাইছিলেন।’ আর সেই গানটি ছিল ‘আমার সোনার বাংলা…’।” [দৈনিক আমাদের সময়, বিশেষ আয়োজন, পৃ-২২, ১৭মার্চ ২০২০]। পরবর্তীকালে ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি আমাদের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পেয়েছে।
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বাংলা ভাষা পেয়েছে রাষ্ট্রের মর্যাদা। এই দেশ যতদিন থাকবে, বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে, বাঙালির সাহিত্য সংস্কৃতি যতদিন থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু থাকবেন। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ করছি।
[লেখক- শিক্ষক।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী