1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

জেলা পরিষদ আইন সংশোধনে সংসদে বিল উত্থাপন

  • আপডেট সময় বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
জাতীয় সংসদে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০১৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিদ্যমান জেলা পরিষদ আইন সংশোধনে বিলটি উত্থাপন করেন।
মঙ্গলবার বিকেলে সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর এটি পরীক্ষা করে একদিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স¤পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসকরা নির্বাচন করতে চাইলে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ স¤পর্কে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ বলেন, জেলা পরিষদ আইনটি ২০০০ সালে প্রণীত হয়। ইতোমধ্যে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়েছে এবং জেলা পরিষদ ব্যতীত অন্যান্য সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জলা পরিষদ নির্বাচন স¤পন্ন করার দাবি উত্থাপিত হয়ে আসছে।
নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা জেলা পরিষদগুলো পরিচালিত হলে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার সফল বাস্তবায়ন হবে। বিদ্যমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এনে জেলা পরিষদ আইন সংশোধন করে যুগোপযোগী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বিলে জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের শপথ নেওয়ার সময় তাদের পরিচিতির জন্য পিতা বা স্বামীর নামের সঙ্গে মায়ের নামও রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইনে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাময়িক বরখাস্তের বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত আইনে আদালত কর্তৃক চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়া সাপেক্ষে সাময়িক বরখাস্তের বিধান রাখা হয়েছে।
বিদ্যমান আইনে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না। প্রস্তাবিত আইনে সেটি রাখা হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচন পরিচালনা এবং এ সংক্রান্ত বিধি-বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা সরকারের পরিবর্তে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দুর্নীতি বা নির্বাচনী অপরাধ করলে সাত বছরের সাজার বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে এর সঙ্গে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদন্ড বা উভয় দন্ডের বিধান যোগ করার কথা বলা হয়েছে।
বিদ্যমান আইনে নির্বাচন স¤পর্কিত বিরোধ নি®পত্তিতে সাব-জজ পদের কর্মকর্তার সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে ওই ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে ‘যুগ্ম জেলা জজ’ রাখার বিধান রাখা হয়েছে।
তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। তাদের মেয়াদপূর্তিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ২৯ আগস্ট বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়। ওই সময় সংসদ অধিবেশন না থাকায় ৫ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে আইন হিসেবে পাস করার জন্য বিলটি সংসদে তোলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com