1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

জঙ্গিবাদের মদদদাতাদের বিচার হবে : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
টাকা ও সমর্থন দিয়ে যারা জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে এবং পেট্রোল বোমার আঘাতে যারা নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে তাদেরও একই পরিণতি হবে। স্থানীয় সময় বুধবার বিকাল ৩টায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ‘টাইসন কর্নার’ এর রিটজ কার্লটন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক মামলা নয়। এগুলো মানুষ পোড়ানোর মামলা।’ শেখ হাসিনা বলেন, দোষী ব্যক্তিদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। যারা অপরাধীদের লালন করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন তাদেরও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ সময় উপস্থিত শতাধিক নেতাকর্মী স্লোগান দিয়ে বিচারের বিষয়ে তার বক্তব্যকে স্বাগত জানান।
বিএনপি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রাজনীতি নিয়ে তারা বারবার বিদেশিদের কাছে অভিযোগ তুলছে। জনগণের শক্তির ওপর তাদের কোনও ভরসা নেই।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি কেক কেটে জন্মদিন উদ্যাপন করতে পছন্দ করি না। আমার একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা। এর মাধ্যমে নিপীড়িত এবং শোষিত জনগণের মুখে হাসি ফোটানো।’
আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গিয়ে পরিবারে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মায়ের আত্মত্যাগের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তান সরকারের মামলা মোকাবিলা এবং এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পরিবারে সেভাবে সময় দিতে পারতেন না বঙ্গবন্ধু। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করেছেন সেটাও স্মরণ করেন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্বাধীনতা-উত্তরকালের অর্থনীতির পুনঃনির্মাণ করেছেন। ওআইসি এবং কমনওয়েলথের সদস্য দেশগুলোর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ভূমি ও ছিটমহলের সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নি®পত্তির কাজও তিনি শুরু করেছিলেন। এমনকি স্বাধীনতার পর দেশগড়ার দূরদর্শী লক্ষ্য নিয়ে তিনি শেল অয়েল কো¤পানি থেকে গ্যাস ফিল্ডগুলো কিনে নিয়েছিলেন। মাত্র তিন বছরের শাসনকালে তিনি অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং সংবিধান প্রণয়নসহ সব মৌলিক কাজের ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন। তিনি বেঁচে থাকলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ একটা দৃষ্টান্ত হতে পারতো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com