1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ১০:০০ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845

সাংবাদিকদের মানববন্ধন : ইউএনও ইকরামকে সুনামগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ বিন ইকরাম কর্তৃক স্থানীয় এক সাংবাদিককে মারধর ও দোকান পুড়িয়ে দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। মঙ্গলবার সকালে শহরের আলফাত স্কয়ারে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যাহার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে শহরে মৌন মিছিল বের করে সাংবাদিকরা। পরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে সাংবাদিক মাসুম হেলালের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক শহীদুজ্জামান চৌধুরী, বিজন সেন রায়, লতিফুর রহমান রাজু, আল হেলাল, পংকজ কান্তি দে, মাহবুবুর রহমান পীর, ইমরানুল হক চৌধুরী, মাহতাব উদ্দিন তালুকদার, সেলিম আহমদ তালুকদার প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, একটি সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর শাল্লার স্থানীয় সাংবাদিক বকুল আহমেদকে মারধর করেন ইউএনও এএইচএম আসিফ বিন ইকরাম। এ সময় ওই সাংবাদিকের দোকান পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেয়া হয়।
স্মারকলিপিতে সাংবাদিক নির্যাতনকারী শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ বিন ইকরামকে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, শাল্লা উপজেলায় কর্মরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ বিন ইকরামের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি জেলার সাংবাদিকদের ওপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। তিনি শাল্লা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তার সঙ্গে সংবাদ সংক্রান্ত কাজে কোনো সাংবাদিক যোগাযোগ করলে তিনি অশালীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর শাল্লার একজন সাংবাদিককে নিজ হাতে মারধর করেছেন। ওই সাংবাদিক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শুধু তাই নয়, ওই সাংবাদিকদের একটি দোকানঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছেন তিনি। একইভাবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর শাল্লার আরেকজন সাংভাদিকের একটি দোকানঘর উচ্ছেদের নামে ভেঙ্গে দিয়েছেন। শুধু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। তার ভয়ে শাল্লা উপজেলার সংবাদকর্মীরা এখন এলাকাছাড়া।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আসিফ বিন ইকরাম তার আগের কর্মস্থল সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় থাকাকালেও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সেখানে এক পাথর ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পরিবেশবিধ্বংসী বোমামেশিন চালানোর সুযোগ দেওয়ার কথা বলে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে জমা রেখে দেন। মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়ায় তার বেতন বৃদ্ধি বন্ধ রেখেছে।
সাংবাদিকরা স্বেচ্ছাচারী ইউএনও আসিফ বিন ইকরামকে অবিলম্বে সুনামগঞ্জ জেলা থেকে প্রত্যাহার ও তার শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে, বিতর্কিত শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক ঢালাওভাবে সাংবাদিকদেরকে গালমন্দ ও শাল্লা উপজেলার একজন সাংবাদিককে মারধর করায় ঘটনায় জামালগঞ্জের কর্মরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিতর্কিত ইউএনও এএইচএম আসিফ বিন ইকরামকে শাল্লা থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য সরকার প্রধানের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে। ওই ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন সাংবাদিক অঞ্জন পুরকায়স্থ, আব্দুল আহাদ, ওয়ালী উল্লাহ সরকার, আকবর হোসেন, সাইফ উল্লাহ, হাবিবুর রহমান, গোলাম রব্বানী আফিন্দি, দিল আহমেদ, মো. আখতারুজ্জামান, মো. নিজামনূর, বাদল কৃষ্ণ দাস, শাহীন আলম, বাপ্পী বর্মণ, মো. মানিক মিয়া প্রমুখ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com