1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন : আ.লীগ : বিদ্রোহীদের কাঁধ থেকে নামছে শাস্তির খড়গ

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার ::
বিগত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যেসব নেতার বিরুদ্ধে তৃণমূল পর্যায় থেকে বহিষ্কারসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল, সেসব সুপারিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাঁরা দলকে দীর্ঘদিন সার্ভিস দিয়েছেন। সম্মেলন আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় উৎসব। তাঁরা এখানে অংশ নেওয়ার অধিকার রাখেন, তাই তাঁদের শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে।
গত মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত যৌথসভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
দলীয় সভানেত্রীর এই ঘোষণার পর সুনামগঞ্জের দুই বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মূলধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের সমর্থকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
গত পৌরসভা নির্বাচনে সুনামগঞ্জের চারটি পৌরসভার মধ্যে দুটিতে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে লড়াই করেন বিদ্রোহীরা। তাঁরা হলেন, জগন্নাথপুর পৌরসভায় শাহ নুরুল কবির ও ছাতক পৌরসভায় সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ মজনু। দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করায় নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে তাদের বহিষ্কার করা হয়। নির্বাচনে তারা দু’জনই হেরে যান।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাদের বিদ্রোহী সামাল দিতে গিয়ে ঘুম হারাম হয়ে যায়। দফায় দফায় সভা করেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিদ্রোহীদের থামানো যায়নি। প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি ছিল বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী। নির্বাচনের ফলাফলেও এর প্রভাব পড়ে। দেখা যায় দলীয় হেভিওয়েট অনেক প্রার্থীকে পেছনে ফেলে বিদ্রোহীরা জয়ী হন। তবে নির্বাচনের আগে অনেক ইউনিয়নে বিদ্রোহীদের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে নির্বাচনে জয়লাভ করা প্রার্থীদের অধিকাংশই এখন দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তারা সভা-সমাবেশ অংশ নিচ্ছেন। অনেকেই আবার আওয়ামী লীগ সহ পদ-পদবির জন্য তদবিরও করছেন।
জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, যারা বিদ্রোহী হয়েছিলেন, তারা ত্যাগী নিবেদিত ও রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। কেউ কেউ বিপুল ভোটে জয়লাভও করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রশংসনীয়।
জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com