1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

গুলশান ও শোলাকিয়ার জঙ্গি হামলা : তামিম ও জিয়া ঢাকায়, ধারণা পুলিশের

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
যে দু’জনকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জঙ্গি কর্মকান্ডের হোতা বলা হচ্ছে, সেই তামিম চৌধুরী ও মো. জিয়াউল হক ঢাকাতেই অবস্থান করছেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা। ওই দুইজনকে ধরিয়ে দিতে চলতি মাসের শুরুতে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম কার্যালয়ে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমাদের ধারণা, তারা ঢাকাতেই আছেন। আমরাও চেষ্টা করছি এবং অন্য সবার কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। ধরিয়ে দিতে পারলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কারের ঘোষণাও হয়েছে।”
এদের মধ্যে বরখাস্ত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হককে ২০১২ সালে সেনাবাহিনীতে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পরিকল্পনাকারী বলছে পুলিশ। তিনি জঙ্গি দল আনসার আল ইসলামের হয়ে কাজ করছেন বলে এর আগে মনিরুল রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন। আর কানাডীয় পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিক তামিম চৌধুরীকে ‘আইএস এর বাংলাদেশ শাখার সমন্বয়ক’ বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে। পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক গত ২ অগাস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে তামিম ও জিয়াকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন।
সেদিন তিনি বলেন, “তদন্ত করতে গিয়ে আমরা যা পেয়েছি, এখানে মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী। নিও জেএমবির নেতৃত্ব সে দিচ্ছে। এই তামিম চৌধুরীর পর যারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রধান তাদেরকেও আমরা চিহ্নিত করেছি। তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। “আরেকটা গ্রুপ আছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। সেখানে তদন্তে আমাদের ধারণা হয়েছে, তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া।” কানাডার উইন্ডসরের বাসিন্দা তামিম ২০১৩ সালের অক্টোবরে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিখোঁজ বলে ২ অক্টোবর জানিয়েছিলেন মনিরুল। তখন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি কেন- এ প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, তখন তার জঙ্গি স¤পৃক্ততার বিষয়টি জানা যায়নি। তদন্তে ২০১৫ সালে তার নাম বেরিয়ে আসে।
আর জিয়ার বিষয়ে মনিরুল সেদিন বলেছিলেন, “তার নাম আসে জঙ্গি হামলার ঘটনায় বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দি থেকে।” জিয়া ও তামিম দেশেই আছে বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেদিন ধারণা দিয়েছিলেন মনিরুল।
শুক্রবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে আসেন ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে জেএমবির পাঁচ সদস্যকে বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্য জানাতে। তিনি বলেন, অভিযানের সময় পাঁচজনকে ধরা গেলেও আরও চারজন পালিয়ে যায় বলে গ্রেপ্তাররা পুলিশকে জানিয়েছে। “কল্যাণপুরের ঘটনায় নয়জন নিহত হওয়ার পর ঢাকায় জেএমবির কর্মী সঙ্কট দেখা দেয়। তাই এদেরকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকায় আনা হয়। মূলত প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করতে তাদের ঢাকায় আনা হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছে।” গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর গত ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের এক বাড়িতে আইন-শৃঙ্খলা বহিনীর বিশেষ অভিযানে নয় জঙ্গি নিহত হয়। তারাও জেএমবির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
মনিরুল বলেন, গুলশানের ঘটনার পর কল্যাণপুর ছাড়াও বিভিন্ন স্থানের অন্তত দশটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। গুলশান ঘটনার দিন জঙ্গিরা ভেতর থেকে বাইরে যে ছবি ও মেসেজ পাঠিয়েছিল, তা মারজান (সাংগঠনিক নাম) নামের এক তরুণ ছড়িয়ে দেয় বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। “সে ঢাকায় অবস্থান করছে। সে শিক্ষিত ছেলে বলে মনে হয়েছে। তার একটি ছবি গোয়েন্দা সদস্যদের হাতে রয়েছে।”

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com