1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

সুরঞ্জিতের সভায় গ্রেনেড হামলা : অভিযুক্ত আরিফ ও গৌছকে হাজির হতে হবে সুনামগঞ্জ আদালতে

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
প্রায় একযুগ আগে দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সভায় গ্রেনেড হামলা মামলায় সাময়িক বহিষ্কৃত দুই মেয়র সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার জি কে গৌছকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার দেখাতে তদন্তকারী কর্মকর্তার করা আবেদনের শুনানি ৭ আগস্ট। ওইদিন এ দু’জনকে হাজির হতে হবে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।
গত বৃহ¯পতিবার সিলেট কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ আমলগ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (দিরাই জোন) এর বিচারক ৭ আগস্ট শুনানী নির্ধারণ করেন।
এদিকে প্রয়াত কিবরিয়া হত্যা মামলার কার্যদিবস থাকায় মামলা বৃহ¯পতিবার দুই নতুন অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে আদালতে হাজির করা যায়নি।
এর আগে গত ২০ জুলাই সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি বসু দত্ত চাকমা সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (দিরাই জোন)-এ আরিফুল হক চৌধুরী ও গোলাম কিবরিয়া গৌছকে দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনের সভায় বিস্ফোরণ মামলায় (নম্বর ৪৭/২০০৪) গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করেছিলেন।
ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গৌছের স¤পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
গ্রেনেড বিস্ফোরণে অল্পের জন্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রাণে বেঁচে যান। নিহত হন যুবলীগকর্মী ওয়াহিদ মিয়া। বিস্ফোরণে আহত হন ২৯ নেতাকর্মী।
আবেদনটি গ্রহণ করে আদালত গত বৃহ¯পতিবার শুনানীর জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ওইদিন আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গৌছকে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু একই দিন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে কিবরিয়া হত্যা মামলার কার্যদিবস থাকায় সুনামগঞ্জ আদালতে শুনানীর সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ জুন দুপুরে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভা চলাকালে দিরাই উপজেলা সদরের জগন্নাথ জিউর মন্দিরের কাছে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলে ওয়াহিদ মিয়া নামে এক যুবলীগকর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলার সময় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অল্পের জন্য রক্ষা পান। এ ঘটনায় ওই সময় অজ্ঞাতদের আসামি করে দিরাই থানায় মামলা দায়ের করেন এস আই হেলাল উদ্দিন।
২০০৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর হরকাতুল জিহাদের সিলেট অঞ্চলের সংগঠক শরিফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও হাফিজ সৈয়দ নাঈম ওরফে আরিফ আটক হলে তাদের স্বীকারোক্তিতে গ্রেনেড হামলার বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলার অধিকতর তদন্ত করে ২০০৮ সালের ১৪ ডিসেম্বরে চার্জশিট দেয়।
সিআইডি ইন্সপেক্টর শফিকুর রহমান চার্জশিটে জঙ্গি মুফতি হান্নান, তার ভাই মহিবুল্লাহ ওরফে অভি, মঈনুদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল, দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপন, নাজিউর রহমান ওরফে নাজু, শরীফ সাহেদুল আলম বিপুল ও হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফকে অভিযুক্ত উল্লেখ করেন।
ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় মামলাটি সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ২০১০ সালের ৩০ জুন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুব উল ইসলামের আদালতে মামলাটির চার্জ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে অ¯পষ্টতা থাকায় এবং আসামিদের জবানবন্দি ও তদন্ত প্রতিবেদনে অসামঞ্জস্যতা থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অধিকতর তদন্তের জন্য সব নথিপত্র ফের সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা কার্য চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com