1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত।
তাহিরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। সোমবার মধ্যরাত থেকেই পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে যাদুকাটা, মাহারাম, বৌলাই, পাটলাই, রক্তি নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সপ্তাহকালব্যাপী তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে চিকসা, আনোয়ারপুর, বালিজুড়ি ও শক্তিয়ারখলা নামক স্থানে অপরদিকে সড়ক ও জনপথের নির্মিত তাহিরপুর-ওয়েজখালি রাস্তা দুই স্থানে ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ দুটি সড়কেই যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে জনচলাচলে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ। এছাড়াও উপজেলার অভ্যন্তরীণ রাস্তা তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়ক, তাহিরপুর বাজার-সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রাস্তাটি স্থানে স্থানে ভেঙে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অপরদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খাদ্যগুদাম এলাকা, তাহিরপুর বাজার, সুলেমানপুর বাজার, আনোয়ারপুর বাজার, নতুন বাজার, কাউকান্দি বাজার, জামতলা বাজার, পন্ডুব বাজার, জয়শ্রী বাজারসহ উপজেলার অধিকাংশ হাট-বাজারই বন্যার পানিতে নিমজ্জিত। এছাড়া উপজেলার নি¤œাঞ্চলের দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর, টুকেরগাঁও, গোবিনপুর, জামলাবাজ, বড়দল উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের পানিয়াখালি, বিনোদপুর, পানিয়াখালি, কলাগাঁও, বীরেন্দ্র নগর, চারাগাঁও, জঙ্গলবাড়ি, লালঘাট, মন্দিয়াতা, বুরুঙ্গাছড়া, শ্রীপুর বাজার, নয়াহাটি, ইন্দ্রপুর, ছিলানিতাহিরপুর, গোলাবাড়ি, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সাহেবনগর, গোপালপুর, নোয়ানগর, মারালা, ইকরামপুর, নোয়াগাঁও, জগদীশপুর, নিশ্চিন্তপুর, আনন্দনগর, উমেদপুর, লতিবপুর, পাঠাবুকা গুচ্ছগ্রাম, মানিকখিলা, সন্তোষপুর, জাঞ্জাইল, ভবানিপুর, দুমাল, শিবপুর, শরিফপুর, উতিয়ারগাঁও, নোয়াগাঁও, উত্তর বড়দল ইউনিয়নের কুকুরকান্দি, ফকিরনগর, আমবাড়ি, বোরখারা, বাদাঘাট ইউনিয়নের পাতারগাঁর, ধরুন্দ, কাঞ্চনপুর, ইউনুছপুর, সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর, গোবিন্দশ্রী, ভাটি জামালগড়, গাজীপুর বালিজুড়ি ইউনিয়নের বড়খলা, বারুঙ্কা, পিরিজপুর, দক্ষিণকূল, মাহতাবপুর, তিওরজালাল, লোহাচুরা, বালিজুড়ি এলাহিবক্স উচ্চ বিদ্যালয় বন্যার পানিতে প্লাবিত রয়েছে। এসব অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।
শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খসরুল আলম বলেন, আমার ইউনিয়নের বন্যায় প্লাবিত গ্রামগুলোর মানষজন পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, আমার ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স এলাকা, হাটবাজারসহ প্রায় সবগুলো গ্রামই বন্যার পানিতে প্লাবিত।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী আবুল হোসেন খান বলেন, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের হাটবাজারসহ অনেকগুলো গ্রামই ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার সাথে সবকটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখঞ্জি বলেন, আমি বন্যা কবলিত সবক’টি হাটবাজার ও গ্রামগুলো ঘুরে দেখেছি এবং সরকারের দেয়া ত্রাণসামগ্রী বন্যার্ত মানুষের মধ্যে বিতরণ করেছি। াহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ খালেদুর রহমান বলেন, উপজেলার বন্যাকবলিত গ্রামগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেছি এবং সরকারের দেয়া ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছি।
আমাদের বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি জানান, এ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে গত বুধবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়। দু’দিন পর কিছুটা পানি কমলেও রোববার থেকে পানি বেড়ে পুনরায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপজেলার পলাশ, ফতেপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ, সলুকাবাদ ও ধনপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩০হাজার পরিবার নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় প্রায় ১শ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা, ১২০ হেক্টর রোপা আমন, ৫০ হেক্টর শাক সবজি, ১০ হেক্টর আউশ ধানক্ষেত বিনষ্ট হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ি ভেঙে পড়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুর রহমান জানান, এলজিইডি’র প্রায় ১০কিলোমিটার পাকা সড়ক পানির নিচে রয়েছে। মৎস্য কর্মকর্তা হাকিবুর রহমান জানান, প্রায় ৮০টি পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে।
এছাড়া প্রাথমিক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অর্ধশত বিদালয়ে রোববার থেকে পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন ও পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম জানান, ক্ষতির পরিমাণ পুষিয়ে কঠিন। ধনপুর ইউপি চেযারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, সবজির ক্ষেত নষ্ট হলেও পুষিয়ে নেয়া সম্ভব কিন্তু বীজতলা নতুন করে ফলানো অনেক সময়ের ব্যাপার।
এদিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন বন্যা মোকাবেলায় আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তালুত।
দোয়ারাবাজার উপজেলায়ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে আমাদের প্রতিনিধি জানিয়েছেন। সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে দোহালিয়া, মান্নারগাঁও, সুরমা, বোগলাবাজার, লক্ষ্মীপুর, নরসিংপুর ও দোয়ারা সদর ইউনিয়নের সুরমা নদীর উভয়তীরের অর্ধ শতাধিক গ্রাম তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন গ্রামের মানুষ। বসতঘরে পানি উঠায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটতে দেখাগেছ বানভাসি মানুষদের। বন্যায় রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ঝুঁকির মধ্যে ডিঙি নৌকা ও কলা গাছের ভেলায় যাতায়াত করতে হচ্ছে জনসাধারণকে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মেহেরুল্লাহ জানান, সোমবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি উঠায় উপজেলার লামাসানিয়া জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, মিতালী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়, টেংরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী নুরুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়, সোনালী চেলা উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সমুজ আলী স্কুল ও কেলজ, দোয়ারাবাজার ডিগ্রী কলেজ, মুহিবুর রহমান মানিক গার্লস স্কুল, মুহিবুর রহমান মানিক সোনালীনুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অপরদিকে, দোয়ারাবাজার-বগুলা সড়কে সুরমা ইউনিয়নের শরিফপুর ও রাবারড্যাম এলাকার গিরিশনগর অংশ এবং দোয়ারাবাজার-বৃটিশ সড়কের বড়বন্দ অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ৭ দিন ধরে উপজেলা সদরের সাথে বগুলা, লক্ষ্মীপুর, সুরমা, নরসিংপুর ও বাংলাবাজার ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া সোমবার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দোয়ারাবাজার-ছাতক সড়কের হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কটি তলিয়ে গেছে। গত ৯দিন ধরে পানিতে তলিয়ে রয়েছে সহ¯্রাধিক হেক্টর আউশ ফসল, আমনের বীজতলা ও শাকসবজি ক্ষেত। উপদ্রুত এলাকায় সরকারিভাবে এ পর্যন্ত ১৫ মেট্রিক টন চাল ও ৭০ হাজার টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার দোয়ারা সদর ইউনিয়নে এবং শনিবার সুরমা ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক ও ইউএনও সাইফুল ইসলাম। তাদের সাথে ছিলেন সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাস্টার, দোয়ারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল খালেক প্রমুখ। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক।
ছাতকেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ছাতক উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বীজতলা, রাস্তা-ঘাট ও শাক-সবজির বাগান। উপজেলার নোয়ারাই, ইসলামপুর, চরমহল্লা, ভাতগাঁও, সিংচাপইড়, জাউয়াবাজার, দোলারবাজার, উত্তর খুরমা, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, কালারুকা, ভাতগাঁও ও দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের সহ¯্রাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বটেরখাল, বৈঠাখাল ও বোকানদীসহ সবক’টি নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার, পাহাড়ি নদী চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৭৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা ও অবিরাম বর্ষণে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। প্রবল ¯্রােতের কারণে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীতে পাথরবাহী বার্জ, কার্গো ও ভলগেট নৌকায় পাথর-বালু লোডিং-আনলোডিংয়ে বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে সংশ্লি¬ষ্ট কয়েক হাজার পাথর শ্রমিক। বন্যার পানি বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট ও কাঁচা ঘর-বাড়ি। পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ইসলামপুর ইউনিয়নের রতনপুর-মনিপুরীবস্তির বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে বন্যার পানি। নদীপাড় সংলগ্ন ছনবাড়ি-রতনপুর সড়ক, ছনবাড়ি-গাংপার-নোয়াকোট সড়কের বিভিন্ন স্থান পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যার কারণে ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়, গাবুরগাঁও মাদ্রাসা, নুরুল¬াপুর মাদ্রাসা, জামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাদা-চানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেওতরপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈশাকান্দি এফআইভিডিবি স্কুল, চরভাড়া মাদ্রাসা, লামাপাড়া ব্র্যাক স্কুলসহ ২০-২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় পানি প্রবেশ করায় বিদ্যালয়গুলো বন্ধ হয়ে পড়েছে। প্রায় অর্ধ শতাধিক মৎস্য খামার ও পোলট্রি ফার্ম রয়েছে হুমকির মুখে। বন্যার পানিতে তলিয়ে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। নিখোঁজ রয়েছে আরো দু’শিশু। রোববার দুপুরে বাড়ির পাশে আসা বানের পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অহিদুজ্জামান রাসান (১২) ও তার চাচাতো ভাই হামিদুজ্জামান আবিদ(৮) নামের দু’শিশু। রাসান ইসলামপুর ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামের কামরুজ্জামানের পুত্র ও ছাতক জালালিয়া আলিম মাদ্রসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র এবং হামিদুজ্জামান আবিদ একই গ্রামের বদরুজ্জামান খছরুর পুত্র ও গোয়ালগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র। সোমবার বিকেল পর্যন্ত প্রবল ¯্রােতে তলিয়ে যাওয়া এ দু’শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com