1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ : হাজারে ৩৩ জন মানুষ খোলা আকাশের নিচে মলত্যাগ করে

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
দেশের ৩.৩ শতাংশ মানুষ এখনো খোলা আকাশের নিচে মল ত্যাগ করে। সে হিসাবে প্রতি হাজারে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৩৩ জনে। ২০১৫ সালের হিসাব এটি। এ সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১১ সালে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করত ২ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। পাশাপাশি কমেছে অন্যান্য (কাঁচা ইত্যাদি) পায়খানা ব্যবহারকারীর সংখ্যা।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম বলেন, বাংলাদেশে খোলা স্থানে মল ত্যাগকারীর সংখ্যা বেড়েছে। এটা হয়তো স্যা¤পলিংয়ের কারণে হতে পারে। তা নাহলে বাড়ার কোনো কারণ দেখি না। তারপরও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এটি বড় কোনো বিষয় নয়। কেননা এখনো ভারতে গড় ১৮ শতাংশ মানুষ খোলা স্থানে মলত্যাগ করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। আশা করছি, চলমান সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শেষ হলে এ অঙ্ক শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপে দেখা যায়, ২০১৫ সালে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে ১০০ জনের মধ্যে ৩ দশমিক ৩ জন। ২০১৪ সালে এ হার ছিল শতকরা ২ দশমিক ১ জন। ২০১৩ সালে ছিল ২ দশমিক ২ জন। ২০১২ সালে ছিল ২ দশমিক ৬ জন এবং ২০১১ সালে ছিল ২ দশমিক ৭ জন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান ডা. আ এ মো. মহিউদ্দিন ওসমানী বলেন, এ বিষয়টি দেখে পাবলিক হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং এলজিইডি। তারপরও আমি বলব সরকারের নানা কার্যক্রম গ্রহণের ফলে খোলা স্থানে পায়খানা করা মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমছে। পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় সাফল্য আছে। ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামীতে এ সংখ্যা আরও কমে আসবে।
অন্যদিকে প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১৫ সালে দাঁড়িয়েছে ১০০ জনের মধ্যে ৭৩ দশমিক ৫ জনে। এ হার ২০১৪ সালে ছিল ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৩ সালে খোলা ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১২ সালে ছিল ৬৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০১১ সালে স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহার করত ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ।
অন্যান্য (কাঁচা) পায়খানা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১৫ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে ২৩ দশমিক ২ জনে। ২০১৪ সালে এ হার ছিল ৩৪ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০১৩ সালে ছিল ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ।
২০১২ সালে ছিল ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০১১ সালে অন্যান্য পায়খানা ব্যবহার করত ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ।
প্রতিবেদন বিষয়ে বিবিএস-এর মনিটরিং দ্য সিচ্যুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স অব বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ কে এম আশরাফুল হক বলেন, ২ হাজার ১২টি নমুনা এলাকার ২ লাখ ১৫ হাজার ৮১১টি খানা (পরিবার) থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর এটি একটি নিয়মিত কার্যক্রম।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com