1. [email protected] : admin2017 :
  2. [email protected] : Sunam Kantha : Sunam Kantha
  3. [email protected] : wp-needuser : wp-needuser
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

দুপুরে ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব, বিকেলে গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১৬

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার হলেন অগ্রণী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান খান। বৃহ¯পতিবার বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মুন গ্রুপকে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া এবং পর্যায়ক্রমে ৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগে করা মামলায় মিজানুর রহমান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরেই তিনিসহ আটজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক বেনজীর আহমেদ।
ওই মামলার এজাহারভুক্ত আরও দুই ব্যাংক কর্মকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ব্যাংকটির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আখতারুল আলম ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল্লাহ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন: ব্যাংকটির সদ্য অপসারিত এমডি সৈয়দ আবদুল হামিদ, মুন গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মো. মোফাজ্জল হোসেন, ডিজিএম (অবসরপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম, প্রধান শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার রফিকুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পর¯পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে প্রতারণা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ৫৫৫ নম্বর প্লটে মিজানুর রহমানের বৈধ মালিকানা ছিল না। ওই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলছিল। তাছাড়া রাজউক অনুমোদিত বৈধ নকশাও ছিল না। বিতর্কিত ওই জমিতে নির্মাণাধীন একটি ভবনের অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ও আয় দেখিয়ে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মুন গ্রুপকে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংক। মঞ্জুর হওয়া ঋণ থেকে পর্যায়ক্রমে ৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা তুলে নিয়ে ব্যাংক তথা রাষ্ট্রের ওই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি সৈয়দ আবদুল হামিদকে অপসারণ করা হয়।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৭৯২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করার অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আবদুল হামিদকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর দুপুরের দিকে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া মিজানুর রহমান খানকে। তিনি অগ্রণী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে।
দায়িত্ব পাওয়ার পর মিজানুর রহমান দুদকে হাজিরা দিতে যান। দুদকে যাওয়ার আগে অগ্রণী ব্যাংকে নিজ কার্যালয়ে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ আসায় তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন।’
দুদক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দুদকের উপপরিচালক বেনজীর আহমেদ সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে মিজানুর রহমান খানকে গ্রেপ্তার করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com