1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01711-368602

যে কারণে কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি জরুরি

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ জুন, ২০১৬

মুফতি আব্দুল হক আহমদী ::
* রমজান মাসে রোজা রেখে যদি কেউ বিনা ওজরে ইচ্ছাকৃতভাবে তা ভেঙে ফেলে তাহলে তাকে কাযা ছাড়াও শাস্তি হিসেবে ধারাবাহিক দুই সাম বা ৬০টি রোজা রাখতে হবে। এটাকেই কাফ্ফারা বলে। তবে পুরো জীবন নফল রোজা রাখলেও রমজানের রোজার ফজিলত পাবে না।
* রমজানে রোজা রেখে কোন প্রকার শরিয়তসম্মত ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে কাযা-কাফ্ফারা দুটোই জরুরি। সুনানে দারাকুতলী ২/১৯১; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪০৯-৪১০
* রমজানে রোজা রেখে দিনে স্ত্রী সহবাস করলে বীর্যপাত না হলেও স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উপর কাযা ও কাফ্ফারা ওয়াজিব হয়। সহীহ বুখারী হাদীস : ১৯৩৭ জামে তিরমিযী ৭২৪ উল্লেখ্য, কাযা ও কাফ্ফারার ক্ষেত্রে অবৈধ বা হারাম মিলনের বিধানও একই। যদিও হারাম হওয়ার কারণে এর গুনাহ অনেক বেশি। আদ্দুররুল মুখতার ২/৪০৯
* বিড়ি, সিগারেট ও হুক্কা পান করলেও রোজা ভেঙে যাবে এবং কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি জরুরি হবে। রদ্দুলল মুহতার ২/৩৯৫ (বিস্তারিত দলিলের জন্য দেখুন : আল্লামা আবদুল হাই লাখনবী রহ. কৃত তারাবীহুল জিনান বিতাশরীহী হুকমি শুরবিদ দুখান; পৃষ্ঠা : ৬৯ মাজমুআতু রাসাইল ২/৩১৯)
সুবহে সাদিক হয়ে গেছে এ কথা জানা সত্ত্বেও আজান শোনা যায়নি বা সম্পূর্ণরূপে আলো হয়নি এ ধরনের ভিত্তিহীন অজুহাতে ইচ্ছাকৃতভাবে খানাপিনা করলে বা স্ত্রী সহবাস করলে কাযা ও কাফ্ফারা দুটোই জরুরি হবে।
* একটি রোজার পরিবর্তে ধারাবাহিক দু’মাস রোযা রাখতে হবে। চন্দ্রমাসের পয়লা তারিখ থেকে কাফ্ফারার রোজা শুরু করলে দু’মাস রোজা রাখলেই চলবে যদিও উভয় মাস বা কোন এক মাস ২৯ দিনের হয়। আর যদি চাদের পয়লা তারিখ হতে শুরু করা না হয় তাহলে ধারাবাহিক ৬০টি রোজা রাখতে হবে। যদি কারো ধারাবাহিক দু’মাস রাখার সামর্থ না থাকে না থাকে তাহলে ৬০জন মিসকিনকে দু’বেলা পেট পুরে খাওয়াতে হবে অথবা ৬০ জনকে এক এক ফিতরা সমান (পৌনে দু’কেজি গম বা তার মূল্য) সদকা করে দিতে হবে। সহীহ বুখারি হাদিস ১৯৭৩; শরহু মুখতাছারিত তাহাবী ২/৪১৯
* দু’মাস রোজা রাখতে গিয়ে কোন ওজরেও (যেমন-ঈদের কারণে বা অসুস্থতার কারণে) যদি ধারাবাহিকতা ছুটে যায় তাহলে নতুন করে রোজা রাখা শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে পিছনের রোজাগুলো কাফ্ফারার রোজা হিসেবে ধর্তব্য হবে না। হ্যাঁ, মহিলাদের হায়েযের কারণে ধারাবাহিকতা ছুটে গেলে পুনরায় নতুন করে আরম্ভ করতে হবে না। তবে নিফাসের (সন্তান প্রসক পরবর্তী ¯্রাব) করণে ধারাবাহিকতা ছুটে গেলে নতুন করে শুরু করতে হবে। আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৭; রদ্দুস মহতার ২/৪১২

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com