মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২০ অপরাহ্ন

Notice :
«» লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ অর্ধ লক্ষাধিক গ্রাহক «» শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত «» মঙ্গলবার সারাদিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন : নূরুল হুদা মুকুট «» পরিকল্পনামন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় জেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক কর্মচারী সমিতির দোয়া মাহফিল «» মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মানববন্ধন «» বড়ছড়া শুল্কস্টেশন দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু : শ্রমিকদের চোখে আশার আলো «» গোখাদ্য সংকট : খড়ের চড়া দামে কৃষকরা বিপাকে «» দোয়ারাবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ : ভিত্তিপ্রস্তরেই আটকে আছে নির্মাণকাজ «» উন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দিন : নূরুল হুদা মুকুট «» এলডিপি থেকে অ্যাড. তুষারের পদত্যাগ : ‘নাগরিক দায়িত্বে’র কার্যক্রম শুরু

৭ উপজেলার নির্বাচন : বিদ্রোহীরা দলীয় প্রার্থীদের ‘গলার কাটা’

মাহমুদুর রহমান তারেক ::
আগামী ২৮ মে ও ৪ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৭টি উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহীরা আ.লীগের দলীয় প্রার্থীদের ‘গলার কাটা’। বিদ্রোহীদের কারণে অনেক দলীয় প্রার্থীই জয়ের সম্ভাবনা থাকার পরও ‘বিপাকে’ পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন নেতাকর্মীরা।
এছাড়া গত দুই দফায় অনুষ্ঠিত ৪টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলেই ‘বিদ্রোহীদের কারণে দলীয় প্রার্থীদের ভরাডুবি’ এমন অবস্থা ফুটে উঠে। ওই ৪টির মধ্যে ৩টিতেই বিদ্রোহীদের কারণে ক্ষমতাসীন আ.লীগের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়।
আগামী ২৮ মে দিরাই, শাল্লা ও জগন্নাথপুর উপজেলায় ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১১জন প্রার্থী বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। ইউনিয়নগুলোতে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছেন বিদ্রোহীরা। শাল্লা উপজেলায় ২টি ইউনিয়নে ৩জন বিদ্রোহী নির্বাচন করছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে ৯জন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। অনেক ইউনিয়নে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছেন।
৪ জুন জামালগঞ্জ তাহিরপুর, ধর্মাপাশা, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাহিরপুর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একটি ইউনিয়ন বাদে প্রায় সবগুলোতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিদ্রোহীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ৬ইউনিয়নে এই উপজেলায় বিদ্রোহী ১০ জন। বিদ্রোহীদের কারণে অনেক ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
জামালগঞ্জ উপজেলার অবস্থা আরো খারাপ। তিন ইউনিয়নে এই উপজেলায় বিদ্রোহী ৮জন। সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহী ফেনারবাঁক ইউনিয়নে। একবার প্রার্থী বদল হওয়ায় প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে গেছে এই ইউনিয়নে।
ধর্মপাশায়ও বিদ্রোহীদের ছড়াছড়ি। ৪টি ইউনিয়নে বিদ্রোহীদের সংখ্যা ৫জন।
বিশ্বম্ভরপুরের ৩টি ইউনিয়নে বিদ্রোহী ৪জন। সবাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রচারণায় নেমে গেছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে তাদের কোন আগ্রহ নেই।
এর আগে দুই দফা অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ছাতকে ১৩টির মধ্যে ৫টিতে, সদরে ৯টির মধ্যে ৭টিতে, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ৮টির মধ্যে ৫টিতে, দোয়ারাবাজারে ৯টির মধ্যে ৬টিতে হেরে যায় আ.লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। অনেক ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থীকে হারিয়ে জয়লাভ করেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা।
জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন জানিয়েছেন, যারা বিদ্রোহী হয়েছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলছি, আশা করছি দ্রুতই তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন।
জেলা আ.লীগের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে নেতাকর্মীরা কাজ করছেন। আর যারা বিদ্রোহী তাদের ব্যাপারে কেন্দ্রকে অবহিত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী