1. dailysunamkantha@gmail.com : admin2017 :
  2. editor@sunamkantha.com : Sunam Kantha : Sunam Kantha
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৪:১০ অপরাহ্ন
ঘোষণা ::
সুনামগঞ্জ জেলার জনপ্রিয় সর্বাধিক পঠিত পত্রিকা সুনামকন্ঠে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন - 01867-379991, 01716-288845
সংবাদ শিরোনাম
পরিকল্পনামন্ত্রীর প্রচেষ্টায় পূরণ হচ্ছে লাখো মানুষের স্বপ্ন পরিকল্পনামন্ত্রীর সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের সম্পদ আছে, অভাব সততার সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেললাইন বাস্তবায়ন চান ব্যবসায়ীরা পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধে এমপিরা : সুধীজনের ক্ষোভ বালু উত্তোলনে যাদুকাটা মহালের সীমানা নির্ধারণ : হাসি ফুটলো কর্মহীন লাখো শ্রমিকের মুখে ছাতক-সুনামগঞ্জ ও মোহনগঞ্জ রেলপথ স্থাপনে রেলমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি যাদুকাটা নদীর বালু মহালের ইজারামূল্য পরিশোধ : শুরু হচ্ছে বালু উত্তোলন অবৈধ দখলদারদের হামলায় এসিল্যান্ডসহ আহত ১০ দক্ষিণ সুনামগঞ্জে নদী গিলছে সড়ক

পাউবো’র ফসলরক্ষাবাঁধ নির্মাণ: অর্থ অপচয়ের অর্থহীন সরকারি কর্মপ্রয়াসের রহস্য কী

  • আপডেট সময় রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৬

একটি সম্পাদকীয় মন্তব্য একরমÑ “কৃষকরা আশায় থাকেন পরের বছর হয় তো বাঁধের কাজ ভালো হবে। কিন্তু দেখা যায়, যেই লাউ সেই কদু। ফের দুর্নীতি।” প্রতি বছর অনিবার্যভাবে লাগামহীন অনিয়ম-দুর্নীতি করে যাচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান। সুনামগঞ্জের তিন তিনটি দৈনিকে এবার তাদের দুর্নীতির ফিরিস্তি ও পরিণামের সম্ভাব্য ভয়াবহতা প্রকাশ করছে অনবরত। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গতকালের দৈনিক সুনামকণ্ঠের শীর্ষশিরোনাম ছিলÑ “বর্ষণ ও শিলাবৃষ্টি : উদ্বেগ বাড়ছে কৃষকের।” দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের শিরোনাম ছিলÑ “ফষল রক্ষার দাবিতে কৃষক জনতার মানববন্ধন।” দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাকের শিরোনাম ছিলÑ “দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা, টানা বৃষ্টির পানিতে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের অধিকাংশ হাওরের বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশংকা।”
গণমাধ্যম আশঙ্কা প্রকাশ করছে ব্যাপক ফসলহানির। অপরদিকে অবস্থা এমন যে, পাউবো’র বাঁধনির্মাণে কোনওরূপ অনিয়ম-দুর্নীতি সংঘটিত হয়নি, তারা নির্বিকার। এভাবেই প্রতিবছর বাঁধনির্মাণের কাজ করে তাঁরা নির্বিকার থাকে, আর অন্যদিকে কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। পরিণামে পাউবো অর্জন করে অবৈধ অর্থ আর কৃষক তাঁর কষ্টে ফলানো ফসল হারিয়ে দুর্ভিক্ষে পতিত হয়। ফসলরক্ষাবাঁধ নির্মাণ একটি কাজ, এর দুইটি ফলÑ পাউবো’র কর্মচারীদের পোয়াবারো আর কৃষকের সর্বনাশ। মাঝ পথে সরকার, সুশীলসমাজ, জনপ্রতিনিধিরা চোখ বন্ধ করে থাকেন, দেখেও না দেখার ভান করেন। এই অনিয়ম-দুর্নীতির ও এই অনিয়ম-দুর্নীতি থেকে উৎপন্ন কৃষকের বিপন্নতার কোন প্রতিকার হয় না। যে কৃষক দেশের মানুষের অন্ন উৎপাদন করে, সে কেবল কলুর বলদ, তার কান্না সরকার শোনে না।
প্রতি বছর কৃষকের উপর বর্তানো এই কৃত্রিম বা মানবসৃষ্ট দুর্বিপাকের অবসান চাই। পাউবো যদি যুক্তি প্রদর্শন করে যে, তারা তাঁদের কাজ যথাযথভাবে করছে, তবে খোদ বাঁধনির্মাণের পরিকল্পনাটাই ভ্রান্ত বলে প্রতিপন্ন হয়। যে বাঁধ ফসলরক্ষা করতে পারে না, সে বাঁধ নির্মাণের কি কোনও যুক্তি থাকতে পারে? এটা কিছুতেই বোধগম্য নয় যে, যে বাঁধ ফসলরক্ষা করতে পারে না প্রতিবছর পাউবো কেন সেরকম বাঁধনির্মাণ করে আর সরকার কেনইবা এমন বাঁধনির্মাণের জন্যে অর্থ বরাদ্দ করেন? তারা কি প্রতিবছরের ফসলহানির কথা ভুলে যান? নাকি ফসলরক্ষাবাঁধ নির্মাণে প্রকল্পটি একটি অর্থ অপচয়ের প্রকল্প হিসাবে প্রতি বছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়? অর্থ অপচয়ের এমন অর্থহীন সরকারি কর্মপ্রয়াসের রহস্য বড় বেশি অবোধগম্য।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© All rights reserved © 2016-2021
Theme Developed By ThemesBazar.Com