সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর-এর কাজ শুরু করা হোক

  • আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৪ ০৯:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৪ ০৯:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর-এর কাজ শুরু করা হোক
হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর-এর কাজ শুরু করা হোক শিরোনামটি ‘কার্যালয়ে নেই কার্যক্রম!’। সংবাদপ্রতিেিবদনটি করা হয়েছে সুনামগঞ্জে অবস্থিত ‘হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’-এর আঞ্চলিক কার্যালয় নিয়ে। বলা হয়েছে, “সুনামগঞ্জবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলায় এই প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু শুরু থেকেই এটি নিয়ে এক ধরণের অবহেলা রয়েছে বলে মনে করেন হাওরবাসীর বিভিন্ন দাবি নিয়ে সোচ্চার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। তাঁরা বলছেন, ভবন নির্মাণের পর এটি পড়ে ছিল চার বছর। এরপর উদ্বোধন হলেও এখন আট বছর চলে গেছে। কিন্তু কোনো কার্যক্রম নেই। এ কারণে এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে হাওরবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল সেটি পূরণ হচ্ছে না।” আমাদের সমাজে দুর্মুখ অনেকেই আছেন। তাঁদের কেউ কেউ মনে করেন যে, যে-দেশে ‘পাউবো’ (পানি উন্নয়ন বোর্ড)-এর মতো কাঠামোগত সহিংসতা বিস্তারে সক্রিয় প্রতিষ্ঠান সরকারি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, সে-দেশে ‘হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’ চালু হওয়াটা এতো সহজ কাজ নয়। এর কারণ হিসেব তাঁরা এই যুক্তি প্রতিস্থাপন করেন যে, সরকার মনে করছে অধিদপ্তরটি পাউবো’র মতো দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে উঠার সম্ভাবনা নেই, তাই এটির কার্যক্রম শুরু করতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমন কথায় আমাদের সমর্থন নেই। আমরা মনে করি আমাদের দেশের যে-কোনও উন্নয়নকর্মের সঙ্গে সমাজের অধিপতি শ্রেণির অর্থপ্রাপ্তির স্বার্থসংশ্লিষ্টতা বিদ্যমান, সেটা নিশ্চিত ও নিষ্কণ্টক না হলে যে-কোনও কাজের বাস্তবায়নকে দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদে ফেলে রাখা হয়। এ বিষয়ে আপাতত বক্তব্যের বহর না বাড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একটি প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। প্রত্যাশাটি হলো, ‘হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’-এর কার্যক্রমকে দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদ থেকে অচিরেই মুক্ত করে জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সক্রিয় করা হোক এবং এই অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সুনামগঞ্জে প্রতিষ্ঠা করে প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা করা হোক সুনামগঞ্জ থেকে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স