শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

Notice :

সোহেল মিয়া বাঁচতে চায়, প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি ::
সোহেল মিয়া ৩০ বছরের এক যুবক। ঘরে রয়েছে ফুটফুটে ৩টি কন্যাসন্তান। তার উপার্জনের টাকায় চলে স্ত্রী, সন্তানসহ ৫ সদস্যের সাংসারিক খরচ। নেই ভিটে বাড়ি ও সংসারের বিকল্প আয়ের পথ। এরই মধ্যে বিকল হয়ে গেছে সোহেল মিয়ার ২টি কিডনী ও একই সাথে লিভার রোগেও আক্রান্ত তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাঁচতে হলে কিডনী দু’টি ও লিভারের জন্য উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে তাকে। নয় তো জীবনের আলো ক্রমান্বয়ে নিভে যাবে সোহেলের। তবে সোহেল মিয়া বাঁচতে চায়, স্ত্রী সন্তানদের জন্য হলেও পৃথিবীর আলোয় আবারও উদ্ভাসিত হতে চায় এই ভুবনে।
সোহেল মিয়া এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি বাঁচতে চাই। আমার ৩টা কন্যাসন্তান আছে। তাদের জন্য আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে। কিন্তু গত ১ মাস ধরে আমি কিডনী ও লিভার রোগে আক্রান্ত। একেক দিন আমার কাছে অত্যন্ত কষ্টের। আমার চিকিৎসার জন্য যেভাবে অর্থের প্রয়োজন, ঠিক সেভাবে সংসারের ভরণ পোষণ দরকার। এ নিয়ে আমি হতাশায়। প্রতিবেশীরা আমার স্ত্রী, মেয়েদের খাবার যোগান দিচ্ছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রথমে তার লিভারের সমস্য ধরা পরে, এরপর দুটি কিডনী বিকল হয়ে যায়। তিনি দীর্ঘ দিন চাঁদপুর মেডিল্যাব হসপিটালের চিকিৎসক ডা. উত্তম কুমার রায়ের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রতি সপ্তাহে ৪ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। যার ব্যয়ভার বহন করার মতো আর্থিক সক্ষমতা তার নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। এতদিন নিজের সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসা ব্যয়ভার পরিচালনা করা হলেও এখন সোহেলের পরিবারের খরচ চালানো সম্ভব নয়। তাই হৃদয়বান ব্যক্তিদের একটু সহযোগিতা পারে অবুঝ ৩ শিশুর কাছে একজন বাবাকে সুস্থভাবে ফেরত দিতে।
উল্লেখ্য, সোহেল মিয়ার বাড়ি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হারিসনগর নতুনপাড়ায়। তার পিতা নুরুল আনোয়ার, মাতা সাজেদা বেগম। সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা- নুরুল আনোয়ার, বিকাশ এজেন্ট নাম্বার ০১৩০৯২৭৯৯২৫।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী