বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

Notice :

সাবেক প্যানেল মেয়র রাসেল কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার ::
দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে জন্মসনদ দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র হোসেন আহমদ রাসেলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কুদরত ই এলাহির আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন হোসেন আহমদ রাসেল।
গত বুধবার সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একই মামলায় সাবেক প্যানেল মেয়র হোসেন আহমদ রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল সুনামগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে পাসপোর্ট করতে আসেন দুই রোহিঙ্গা নাগরিক। তারা দু’জনই জামালগঞ্জ উপজেলার চারজন ব্যক্তির সহায়তায় সুনামগঞ্জে আসেন। ঘটনার দিন সকালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আসলেও বিকেলে ছবি তোলা ও আঙ্গুলের ছাপ দিতে পাসপোর্ট কার্যালয়ে গেলে তাদের কথাবার্তায় পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে দুই রোহিঙ্গা ও তাদের সহযোগী চার ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেন তারা। ওইদিনই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে জামালগঞ্জ উপজেলার তেরানগর গ্রামের মো. ফরহাদ আহমদ (৩৬), রামনগর গ্রামের মো. নূর হোসেন (২৩), সুজাতপুর গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন (২৪) ও আমির উদ্দিনকে (২৩) আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন থানার উপ-পরিদর্শক জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার। পরবর্তীতে রোহিঙ্গা ও চারব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র হোসেন আহমদ রাসেলের সুপারিশে পৌরসভা থেকে জন্ম সনদ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে গেল ২১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এসময় এজাহারভুক্ত চার আসামি ছাড়াও তদন্তে ৫ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুনাগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক একেএম জালাল উদ্দিন বলেন, ভুয়া জন্মসনদ দেওয়ার মামলায় তদন্ত শেষে পাঁচজনের নাম অভিযুক্ত করি।
সুনামগঞ্জ পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক সেলিম নেওয়াজ জানান, হোসেন আহমদ রাসেল বিজ্ঞ আদালতে জামিন চাইলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী