রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

Notice :
«» দোহালিয়ায় প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে কমিটি গঠনের উদ্যোগ «» ৪৯ শিশুকে সংশোধনের সুযোগ দিলেন আদালত «» হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ : অর্থ ছাড় হলেও কাজের খবর নেই «» মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আমূল পরিবর্তন ঘটবে : পরিকল্পনামন্ত্রী «» দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে হবে : জেলা প্রশাসক «» জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যাবে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা চিঠি «» ফতেপুর ইউপি নির্বাচন : আ.লীগের মনোনয়ন চান সাবেক চেয়ারম্যান প্রবোধ রায় «» দোয়ারায় সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন : সুবিধা পাবে সহস্রাধিক কৃষক «» এমপি রতন ও চেয়ারম্যান রোকনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন «» ৭৬ প্রতিবন্ধী পেলেন রেডক্রিসেন্টের আর্থিক সহায়তা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিদ্রোহী প্রার্থী নির্মূল মিশনে আ.লীগ

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
বারবার তাগাদা দিয়েও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে পারছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েও বশে আনা যায়নি দলের বিদ্রোহীদের। এই অবস্থায় একক প্রার্থিতা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। কারণ একাধিক প্রার্থী থাকায় প্রায়ই বিজয়ের মালা যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত কিংবা নির্দলীয় প্রার্থীর গলায়। আবার বিদ্রোহী জয়ী প্রার্থীর সংখ্যাও কম নয়।
সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছে রংপুর সদর উপজেলার পুস্করিনী ইউনিয়নে। গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক সোহেল রানা। যিনি বিদ্রোহী প্রার্থী। এমনকি দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সদর উপজেলার সাংগঠনিক স¤পাদক কৃষ্ণ রঞ্জন বর্মণও দলীয় মনোনয়ন পাননি। তবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও পরাজিত হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকছেদুর রহমান দুলু।
একই রকম ঘটনা রয়েছে পার্শ্ববর্তী জেলা গাইবান্ধাতেও। জেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়েছেন।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান জানান, এবার তারা একক প্রার্থিতা নিশ্চিতে কাজ করছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সাধারণ ও সাংগঠনিক স¤পাদকরা এই সংক্রান্ত নির্দেশ জেলা উপজেলায় পৌঁছে দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন।
যদিও আরও আগে থেকেই ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থিতা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছিলেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদেও একক প্রার্থী নিশ্চিতের জন্য
দলীয় নেতাদের নির্দেশ দেন।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জানান, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন তারা। তৃণমূলে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীর নাম কেন্দ্রে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরও কোথাও যদি কেউ দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ নেন তাকে বুঝিয়ে বা দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে হলেও নির্বাচন থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়। এরপরও কাজ না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক রেজাউল করিম রাজু বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছে।’
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একজন বিষয়ভিত্তিক স¤পাদক বলেন, অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচনে ভুল হওয়ায় যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করেন। যার প্রমাণ সম্প্রতি পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মনোনয়নে আত্মীয়তা, স্বজনপ্রীতি, অর্থের বিনিময় যেমন তৃণমূলে হয় তেমনি কেন্দ্রেও হয়। এসব বন্ধ হলেই একক প্রার্থিতা নিশ্চিত সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হয় তৃণমূল থেকেই। থানা বা জেলা থেকে আগ্রহী প্রার্থীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড সংশ্লিষ্ট বিভাগের যুগ্ম ও সাংগঠনিক স¤পাদকদের মতামত নিয়ে আলোচনা করে প্রার্থী চূড়ান্ত করে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী