মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

Notice :
«» বড় হতে হলে বিসিএস লাগবে তা নয়, মানুষ হিসেবে বড় হতে হবে : ড. মোহাম্মদ সাদিক «» উন্নয়নবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে : এমপি রতন «» জেলা প্রশাসনের অনন্য উদ্যোগ : হাওরপাড়ে শিশুর পাঠে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ «» স্বাস্থ্যসেবায় গ্রামের মানুষ অবিচারের শিকার : পরিকল্পনামন্ত্রী «» নিজেদের খেলার মাঠ ফিরে পেল গারোরা «» সকল উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি শুরু : ভূমি নামজারি হবে ২৮ দিনেই «» সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত «» ভারতীয় রুপিসহ যুবক গ্রেফতার «» শহরে বখাটের ছুরিকাঘাতে দুই ভাই রক্তাক্ত «» আলহেরা মাদ্রাসায় শ্রেণিকক্ষ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

মোল্লাপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধে যুবক খুন

বিশেষ প্রতিনিধি ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের দরিয়াবাজ গ্রামে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আব্দুল আলিম তালুকদার নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ‘কুইট্টা খাওয়ার দাইড়’ নামক স্থানে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন আলিমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। রাত ৯টার দিকে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মৃত্যু হয় তার। নিহত আব্দুল আলিম দরিয়াবাজ গ্রামের হানিফ তালুকদারের ছেলে।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার সকালে তিনজনকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। তারা হলেন আব্দুল্লাহপুর গ্রামের ইউপি সদস্য জহুর আলী, দরিয়াবাজ গ্রামের যশু মিয়া ও মমিনুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তালুকি সম্পত্তি নিয়ে দরিয়াবাজ গ্রামের যুবক আব্দুল আলিম তালুকদারের এলাকার অনেকের সঙ্গে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে অতীতে বহুবার মারামারির ঘটনা ঘটে। দুই মাস পূর্বে দরিয়াবাজ গ্রামের নায়েব আলী, সাহেব আলী ও আব্বাছ আলীর বসতঘর পুড়ার ঘটনায় গ্রামের জয়নাল ও চান্দুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘর পুড়ার ঘটনায় জয়নাল ও চান্দুর বিপক্ষে অবস্থান ছিল আলিমের।
আলিমের স্বজনরা জানান, ঘরপুড়ার মামলায় জয়নাল ও চান্দু গ্রেফতারের প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ‘কুইট্টা খাওয়ার দাইড়’ নামক বিলে আলিমকে খবর দিয়ে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। সেখানে নিয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে তারা। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।
উল্লেখ্য, ‘কুইট্টা খাওয়ার দাইড়’ নিজেদের তালুকি সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে আসছিলেন আলিম তালুকদার।
এদিকে, শনিবার বিকেলে সিলেট থেকে আলিমের লাশ সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা প্রাঙ্গণে এনে রাখা হলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় ভরি হয়ে ওঠে থানার আঙিনা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ করেন গ্রামবাসী।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সহিদুর রহমান জানান, আলিম হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী