শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

Notice :

জননেতা জগলুল : স্বপ্নের শহরে আজও বাঁচো শতগল্পে, ভালোবাসায়…

মো. আমিনুল ইসলাম ::
যখন রাত আসে নির্জনতা নিয়ে, চারদিক কালো হয়ে অন্ধকারে। বলে যায় নীরবে, এই শহরের তোমাদের কানে কানে। রেখে যায় প্রশ্ন.., কালও কি আফসোস জাগবে আবার? আজও যেমন বলেছিলে গল্পের ছলে হঠাৎ করেই- “মানুষটা খুব ভালো ছিলো”। এই শহরে তোমার মতো কতোজনই তো আফসোস করে হরেক গল্পের মাঝে একটু থেমে। শ্রদ্ধায় আর ভালোবাসায় হয় নীরব। তাদের তো অজানতেই গাল বেয়ে গড়িয়ে নামে জল। যারা ভালোবেসেছিলো। স্বপ্নের পথে কতো বাধাই টপকে যেতে হয়েছে সে মানুষটিকে। জননেতা জগলুল। স্রোতের বিপরীতে অনেক পথ সৎসাহস নিয়েই হেঁটে যাওয়া দৃঢ় মনোবলের একজন মানুষ। এই শহরের সাধারণ শ্রেণিপেশার এমন কাউকেই হয়তো খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে যিনি আয়ূব বখত জগলুলকে চিনেন না। আজকের দিনটাতেও আপনি হয়তো বলবেন অবিচার করা হলো মানুষটার সঙ্গে। হ্যাঁ, সত্যিই তো। অবিচার করা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৮০ সাল থেকেই। যে সময়টাতে যোগ্যতায় ও দক্ষতায় কলেজ ক্যাম্পাসে আয়ূব বখত জগলুল ছিলেন এগিয়ে। ছাত্রলীগের কতোজনই তো তখন থেকে ছিলেন জগলুলের প্রতিপক্ষে সক্রিয় ভূমিকায়। তাঁকে আটকে দেয়ার কতো চেষ্টাই তো ছিল। ছিল তার প্রতি অবিচার করার মানসিকতা। কিন্তু তাও কি পেরেছিল তারা?
বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগ যাঁর হৃদয়ে ছিল অনন্য উচ্চতায় তাঁকে আটকাবে কে? তাই হয়তো শুরু থেকেই আওয়ামী নেতারা সংগ্রামী আর সাহসী জগলুলকে দেখতে পেয়েছিলেন রাজপথের মিছিলের অগ্রভাগে। সংকল্পে অবিচল জগলুল ভালোবাসা আর বিচক্ষণতায় জয় করেছিলেন যতো বাধা। তাই তো ক্রমাগত সাফল্য ছিল মানুষটির। পিতা হোসেন বখত-এর সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবেই সুনামগঞ্জের আপামর জনতা তাঁকে গ্রহণ করেছিলেন ভালোবাসা আর ভরসার কেন্দ্রস্থল হিসেবেই। আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুঃসময়ে তাঁর সাহসী ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের। শহরের আরপিন নগরের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান আয়ূব বখত জগলুল রাজনীতির মাঠে ছিলেন তুখোড়। অন্যায় কে মেনে নেননি কখনোই। সোজা কথাকে ঘুরিয়ে না বলে সামনেই বলে ফেলার মানুষ ছিলেন জগলুল।
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্র সংসদ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলোর হয়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি পেয়েছিলেন নেতৃত্বে সকলের গ্রহণযোগ্যতা। ছিলেন সব সময় আলোচনায় আর সকলের দৃষ্টিতেই। অসাধারণ দক্ষতার কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৭ সালে মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছিল সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে। হয়েছিলেন বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠতম সাধারণ সম্পাদক। তাই আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা দেশজুড়েই।
কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আয়ূব বখত জগলুলের পক্ষেই ভোট পড়েছিল অধিকাংশ ছাত্রদের। নির্বাচনে মানিক-আয়ূব পরিষদের হয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে প্যানেলকে বিজয়ী করেছিলেন জগলুল। ওই নির্বাচনের ফলাফলে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নির্বাচিত জিএস হয়েছিলেন তিনি।
৮০-র দশকে ছাত্রলীগের নেতৃত্বের অগ্রভাগে থাকা আয়ূব বখত জগলুলের জনপ্রিয়তার বিষয়টি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুস সামাদ আজাদকে ভাবিয়ে তোলেছিলো। তিনি জগলুলকে সুনামগঞ্জ যুবলীগের নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানালে ১৯৮৬ সালের সুনামগঞ্জের রাজনীতিতে আয়ূব বখত জগলুল জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হন। সে সময়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান আমির হোসেন আমু’র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্যও মনোনীত হয়েছিলেন জগলুল। ১৯৮৯ সালে কলেজ ছাত্র সংসদে আয়ূব-দেবাশীষ পরিষদের প্যানেলে বিপুল ভোট পড়ে ছাত্রদের। ওই পরিষদ থেকে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন আয়ূব বখত। তাঁর নেতৃত্বে আবারো ছাত্ররা ঐক্যবদ্ধভাবে কলেজ সংসদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। ১৯৯২ সালেই জগলুলকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করে কমিটি প্রকাশ করেছিলেন। দলীয় সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে তার প্রমাণ পায় সুনামগঞ্জবাসী। ওই সময় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব তোলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। তাঁকে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেন শেখ হাসিনা একজন জনসম্পৃক্ত ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে আয়ূব বখত জগলুলকে ভালোবাসতেন এই শহরের আপামর শ্রমিক জনতা। স্থানীয় রিকসা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও তাদের উপর নির্যাতনের বিরোধিতা করে আলফাত উদ্দিন রিকসা শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছিল সে সময়ে। জগলুল ছিলেন এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক। এ সংগঠনের সভাপতি ছিলেন জননেতা আলফাত উদ্দিন মোক্তার সাহেব।
১৯৯৮ সালের শেষের দিকে আয়ূব বখত জগলুলের বড়ভাই তৎকালীন পৌরসভার চেয়ারম্যান মনোয়ার বখত নেক একটি অগ্নিকা-ের ঘটনায় মৃত্যুবরণ করলে ১৯৯৯ সালে তাঁকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান সুনামগঞ্জ পৌরবাসী। তিনি এসময় সাইকেল প্রতীকে পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এসময় দেওয়ান মমিনুল মউজদীন রিকসা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তবে থেমে যাননি জগলুল। পরবর্তীতে আবারো ২০০৪ সালে সাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করেন জগলুল। সেসময় দেওয়ান মমিনুল মউজদীন চাকা প্রতীকে আবারো বিজয়ী হন। ২০১১ সালে শেরগুল আহমদের বিপক্ষে ঘড়ি প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সুনামগঞ্জের প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আয়ূব বখত জগলুল।
এরপর থেকেই এক অনন্য সুন্দর সুনামগঞ্জ শহর বাস্তবায়ন দেখতে থাকেন সুনামগঞ্জের মানুষ। সৌন্দর্য্যের ছোঁয়া লাগতে থাকে শহরের দিকে দিকে। প্রথম মেয়র হিসেবেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রশস্তকরণের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসেন জগলুল। উন্নয়ন ছড়িয়ে পরে শহরের সকল অলিতে-গলিতে। একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে থাকেন তিনি। তাঁর নির্দেশে স্থাপিত হতে থাকে দর্শনীয় স্পট রিভারভিউসহ একের পর এক স্থাপনা। পৌরসভাকে ঋণমুক্ত করা ছাড়াও তার গৃহীত নানা কার্যক্রম প্রশংসিত হতে থাকে। তার উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হলে ২০১৫ সালে আবারো দ্বিতীয় বারের মতো সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে বিপুল ভোটে আয়ূব বখত জগলুলকে নির্বাচিত করেন সুনামগঞ্জের নাগরিকরা। নাগরিকদের অর্পিত দায়িত্বে কোনদিনও অবহেলা করেননি জগলুল। তাই কাজের বাস্তবায়ন করতে লোকটাকে অধিকাংশ দিনেই রাস্তায় চেয়ার নিয়ে বসে থাকতে দেখেছেন এই শহরের মানুষ। জগলুলের জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ও তার জনসম্পৃক্ততার খবর ঢাকায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে মুখে ব্যাপক আলোচনা হতে থাকে। জগলুলকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে থাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবে জগলুলের নাম প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। এই খবরটি জেলা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থায় ছিল অন্যতম চমক। জননেতা জগলুল ছিলেন এই শহরে রাজনীতির মাঠে অন্যতম এক শক্তির নাম। যে কোন সিদ্ধান্তের বেলায় তার বিচক্ষণতার প্রমাণ একাধিকবার পেয়েছেন সুনামগঞ্জের নাগরিকরা।
এই শহরের মানুষেরা তাঁকে করে নিয়েছিলেন আপন। অন্যতম অভিভাবক হিসেবে জায়গা দিয়েছিলেন হৃদয়ে। হয়তো কোনদিনও এই কথা জানতেন না জগলুল।
এই শহরের রাস্তাগুলোতে রাতের অন্ধকারেও একাই ঘুরে বেড়ানো মানুষটির প্রিয় রং সম্ভবতো নীল ছিল। নয়তো ছিল কিসের যেন জমিয়ে রাখা দুঃখ। দিনের আলোতে ব্যস্ততার ভেতরে ডুব দিয়ে থাকা মানুষটাকে রাত নামলে রিভারভিউতে দেখা যেতো প্রায়ই। নীলাভ রঙে সাজিয়েছিলেন তিনি তার প্রিয় এই স্থানটিকে। রাতের নীরবতা আর নদীর বয়ে চলায় নীল রঙ যেন ভাবনাগুলোকে সাজিয়ে নিত তার নিজের মতোন করে। রাগি রাগি চেহারার মানুষটার ভেতরের অবস্থা ছিল অনেকটা শিশুর মতোই কোমল। যারা ছোট ছোট অবসরে মানুষটাকে খুব কাছে থেকে অবলোকন করেছেন এবং কিছু সময় কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তারাই হয়তো আন্দাজ করতে পেরেছেন।
জগলুল শহরবাসীকে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন তা এর আগে নাগরিকরা হয়তো ভাবেননি কখনো। যখন এক একটা নতুন প্রকল্প নিয়ে কথা বলতেন তখন হয়তো মানুষ অবাকও হতেন। কেউ প্রথমে বিশ্বাস করতেন না। মাত্র ৬ বছর সময়ে তিনি পৌর এলাকায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্পের বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছিলেন। জগলুল যেভাবে নিজে স্বপ্ন দেখতেন। মানুষকেও দেখাতেন। তাঁর স্বপ্নের ঝুলিতে কতো স্বপ্ন ছিল কে জানে? হয়তো শহরবাসীকে অবাক করে দিবেন আরও একটা সুখবর দিয়ে এটাই ছিল মনে মনে। নাছোড়বান্দা স্বভাবের জগলুলকে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও কোন সন্দেহ ছাড়াই ভরসা করতে পারতেন নাগরিকরা। কারণ মিথ্যে আশ্বাসওয়ালা রাজনৈতিকদের ভিড়ে একটা মানুষই ছিল এই শহরে। যাকে লোকজন নির্দ্বিধায় বলতে পারতো ‘আমাদের লোক’। যে যে দলই করুক না কেনো বিবাদের ইতি টানতে জগলুলকেই প্রয়োজন মনে করতেন এই শহরের সকলে। এভাবে হাজার লাইন লেখা সম্ভব। আপনিও পড়তেই থাকবেন। ভালোবাসার এই মানুষটা আপনার কাছেও হয়তো কম পছন্দের ছিলেন না।
সত্যিকথা বলতে জগলুলের প্রস্থান পৃথিবীর আর দশজন মানুষের মতোই স্বাভাবিক ঘটনা হলেও শহরবাসীর কাছে এই ঘটনা কেনো জানি ছিল অপ্রত্যাশিত। তার মৃত্যু সংবাদ যখন এই শহরের সবচেয়ে সাধারণ মানুষটার কাছেও পৌঁছেছিল আমার বিশ্বাস সে সংবাদ বাহককে নিজের অজানতেই ধমক দিয়েছিল। কেন জানি খবরটা গ্রহণ করার মতো শক্তি ছিলনা আমাদের। সমস্ত জেলার মানুষ ও দেশের আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে এই সংবাদ ছিল অনেকটাই অবিশ্বাস্য। তাই একবার শুনেই খবরটি বিশ্বাস না করে কয়েকবার করে সকলেই যোগাযোগ করেছেন ভিন্ন ভিন্ন মানুষের সঙ্গে। যেখানে নাগরিকদের এমন অবস্থা ছিল সেখানে পরিবারের সদস্যদের শোকার্ত মুহূর্ত কেমন হবে তা অনুমেয় সহজেই। জীবিত একজন জগলুলের চেয়ে নিষ্প্রাণ জগলুল কতোটা শক্তিশালী সেটা বুঝতে পেরেছেন যারা ওইদিন তাঁর নিজ বাস ভবন এলাকা আরপিননগরে গিয়েছিলেন। শোকার্ত মানুষের কান্না আর হাহাকার অশান্ত করে তোলেছিল গোটা পরিবেশকে। তাকে শেষ বারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েও কান্নায় ভেঙে পড়েছেন হাজার হাজার জগলুল ভক্তবৃন্দ।
গল্পে গল্পে এই শহরের কতো মানুষই তো জননেতা জগলুলকে মনে করে আফসোস নিয়ে একটা দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে দিয়ে কষ্ট পায়। আফসোস করা ছাড়া তো আর কিছু করার নেই আমাদের। কিন্তু হতাশা এইটুকুতেই আজঅব্দি প্রিয় মানুষটার জন্য আমরা কিছুই করতে পারিনি। তাঁর স্বপ্নের শহরটা আজও আমরা গড়ে তোলতে পারিনি। জগলুলের অসমাপ্ত কাজ শতভাগ সমাপ্ত হয়নি এখনো।
এখনো শহরে জগলুল বেঁচে আছেন। নইলে চায়ের আড্ডায় ভুলেও কেউ জগলুলকে স্মরণ করে দীর্ঘশ্বাস ফেলতেন না। যে সুন্দর শহরের স্বপ্ন জগলুল দেখেছিলেন সে নাগরিকবান্ধব পৌর শহর গড়তে না পারা আমাদের জন্য অবশ্যই লজ্জার। জগলুলের প্রতি অবিচারের দায় আমরা এড়াতে পারিনা কিছুতেই। এই দায় আমাদের। তবে জগলুল আজো বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন শত শত বছর ধরে হাজারো মানুষের ছোট ছোট অবসরের গল্পে- আফসোসে, মানুষের ভালোবাসায়। মহান এই মানুষটির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
[মো. আমিনুল ইসলাম, গণমাধ্যমকর্মী]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী