শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

Notice :

হাওরাঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শিশুদের ঝরে পড়ার বাস্তবতা ও গৃহীত উদ্যোগ : ইয়াসমিন নাহার রুমা

শিক্ষা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়কে সামনে রেখে সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। দেশে শিক্ষার হার তুলনামূলক অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে তবে এখনো এই হার শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষার মূল বুনিয়াদ প্রাথমিক শিক্ষা। তাই প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক বিদ্যালয়মুখী করা ও বিদ্যালয়ে ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের হাওরবেষ্টিত জেলা সুনামগঞ্জ হাওরকন্যা নামে অধিক পরিচিত। আর হাওরবেষ্টিত হওয়ায় সুনামগঞ্জের শিশুদেরকে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করতে গিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়। ফলে হাওর এলাকায় অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের উপস্থিতির হার কম এবং ঝরে পড়ার হার বেশি। হাওরাঞ্চলে বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের ঝরে পড়া রোধ করে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অধিক বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও বজ্রপাত হাওরাঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। সুনামগঞ্জ জেলায় বর্ষাকালে অধিক বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং পাহাড়ি ঢলে প্রতি বছর বন্যা হয় বিধায় বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক দিন পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকে ফলে শিশুরা ঐ সময় বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ হতে বঞ্চিত হয়। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১৫টি বিদ্যালয় বর্ষাকালে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা। তাছাড়া এ জেলায় বন্যার কারণে অনেক সময় হাওরাঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং দারিদ্র্য নেমে আসে। এ ছাড়াও বর্ষাকালে সুনামগঞ্জে প্রচুর বজ্রপাত হয় এবং এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি মারা যায়। ফলে এ সমস্ত পরিবারের শিশুরা পরিবারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে বিদ্যালয় ছেড়ে দেয়। এমনকি বজ্রপাতের কারণে বাবা-মায়ের বিদ্যালয়মুখী আদরের সন্তান অকালে মৃত্যুবরণ করে বলে তাঁরা শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পান।
সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের উপস্থিতির হার অনেক কম সেই সাথে ঝরে পড়ার হার বেশি। উদাহরণস্বরূপ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নে হাওর এলাকায় অবস্থিত ডিডিআই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪০ জন। বিগত তিন বছরের গড় উপস্থিতির হার ৫৭%, গড় পাসের হার ৬৭%, গড় ঝরে পড়ার হার ১৭%। শুকনো মৌসুমে যদিও এ অঞ্চলের শিশুরা বিদ্যালয়ে যেতে পারে, কিন্তু বর্ষায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার একমাত্র পথটি পানিতে ডুবে যায়। তাই বাঁশের সাঁকো দিয়ে, না হয় নৌকা দিয়ে পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় তাদের। পার হওয়ার সময় সেইসব বাঁশের সাঁকো যখন নড়ে ওঠে ছোট ছোট হাত-পাগুলো তখন ভয়ে কেঁপে ওঠে। অর্থাৎ শিশুরা সহজে বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। ফলে বেশি কষ্ট করে বিদ্যালয়ে যেতে হয় বলে শিশুরা অনেক সময় শিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। অন্যদিকে কুরবাননগর ইউনিয়নের মাসতুরা মবশ্বির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ২৬০ জন। বিগত তিন বছরের গড় উপস্থিতির হার ৯৮%, গড় পাসের হার ১০০%, গড় ঝরেপড়ার হার ০%। অর্থাৎ উল্লেখ্য দুইটি বিদ্যালয়ের মধ্যে হাওর এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়ের চিত্র সহজেই অনুমেয়।
শিক্ষক স্বল্পতা ও অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোট ১২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ০৮ (আটটি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র ০৪ (চার) জন করে শিক্ষক রয়েছে। এসব বিদ্যালয় প্রতি চারজন শিক্ষক বরাদ্দ থাকায় তাদের পক্ষে ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্তÍ একটানা কাজ করা কষ্টসাধ্য হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই পাঠদান মানসম্মত হয় না। তাছাড়া ছুটি বা প্রশিক্ষণকালীন সময় শিক্ষক স্বল্পতা আরো প্রকট হয়ে পড়ে। যে সকল কমিউনিটি বিদ্যালয় ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়েছে সে সমস্ত বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ঘাটতি অনেক বেশি। অনেক শিক্ষক যথাযথ প্রস্তুতি ও উপকরণসহ ক্লাসে উপস্থিত হন না। ফলে ক্লাসের গুণগতমান আশানুরূপ হয় না এবং এতে করে শিশুরা ক্লাসের প্রতি উদাসীন হয়ে পড়ে। তাছাড়া অনেক শিক্ষক শিশুদেরকে নিজের সন্তানের মত ভেবে মোটিভেশনের মাধ্যমে পাঠদান করেন না সেজন্য শিশুরা আনন্দ নিয়ে পড়াশোনা করতে পারে না ফলে শিশুরা পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে।
দারিদ্র্য ও অভিভাবকদের অসচেতনতা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অন্যতম বাধা। অসচেতন অভিভাবকগণ শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন না বিধায় দারিদ্র্যের কারণে তাদের সন্তানদেরকে বিদ্যালয়ে না পাঠিয়ে কাজে পাঠায়। ধরতে হয় মাছ ধরার জালের রশি কিংবা কুড়াতে হয় পাথর। আবার অনেকে তাদের সন্তানকে বিদ্যালয়ে না পাঠিয়ে ছোট বাচ্চাদেরকে দেখাশুনার দায়িত্ব দিয়ে নিজেরা কাজে যায় এবং এর পাশাপাশি তাদেরকে বাবা-মার জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে যেতে হয়। দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকে এবং এভাবে তারা পড়াশোনার বাইরে রয়ে যায়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে বদ্ধপরিকর। শিক্ষায় অগ্রগতি অর্জন করা ব্যতীত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে না। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ইতোমধ্যে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের পাশাপাশি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় হাওরাঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শিশুদের ঝরে পড়া কমিয়ে বিদ্যালয়মুখী করতে এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে স্থানীয়ভাবে নি¤েœাক্ত উদ্যোগসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।
* শিক্ষকদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, যথাসময়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা ও আন্তরিকভাবে ক্লাস পরিচালনা নিশ্চিতকরণে কাউন্সেলিং এবং মোটিভেশন প্রদানের জন্য প্রতিমাসে প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভায় উপস্থিত থেকে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং সদর উপজেলায় ০৯টি ক্লাস্টার অনুযায়ী সকল শিক্ষকের সাথে সভা করা হয়।
* যে সকল শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকছে তাদের অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনে হোম ভিজিটের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
* অভিভাবকদের সচেতন করার জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রতি মাসে নিয়মিত মা সমাবেশ করা হয়।
* বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য “আমাদের বিদ্যালয় আমাদের ঠিকানা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ভুলব না” স্লোগান সম্বলিত ১২৯০টি স্টিকার সকল (১২৯) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেন নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার অভ্যাস তৈরি হয় সেজন্য প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ও বারান্দায় বিনের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
* হাওর এলাকার শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস, খাতা-কলম, পেন্সিল, ইরেজার, রঙ পেন্সিল ও স্কুলব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে।
* এসডিজির ০৩ নং অভীষ্ট অর্জনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যালয়সমূহে নেইল কাটার ও টুথব্রাশ বিতরণ করা হয়েছে এবং শিশুরা যেন জুতা পরে বিদ্যালয়ে আসে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
* পঞ্চম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে ডায়েরি (বিদ্যালয় দিনলিপি) বিতরণ করা হয়েছে।
* বিদ্যালয়ের পরিবেশ আকর্ষণীয় করতে সকল প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ সুসজ্জিত করা হয়েছে এবং বিদ্যালয়সমূহে বাগান করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।
* শিক্ষার্থীদের কথা বলার জড়তা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার জন্য প্রতিটি ক্লাস শেষে শিক্ষককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রক্রিয়া (ভোট অব থ্যাংকস) চালু করা হয়েছে।
* শিশুরা যেন শুদ্ধভাবে বাংলা ও ইংরেজি পড়তে পারে সেজন্য রিডিং টেস্ট এর আয়োজন করা হয় এবং বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় শিশুদের পঠন দক্ষতার উপর অধিক গুরুত্ব¡ দেয়া হয়। তাছাড়া শিশুদের গণিতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রাথমিক চার নিয়ম ও সংখ্যার ধারণা নিশ্চিতকরণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
* শিশুদের হাতের লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে ও নিয়মিত বাড়ির কাজ নিশ্চিত করতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং শ্রেণিকক্ষে অনুশীলনের জন্য পৃথক খাতা আনয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে।
* প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের উপর নলেজবেজড প্রশিক্ষণ আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
* সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানাতে এবং দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে বঙ্গবন্ধু কর্নার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।
* শিশুদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশে সকল বিদ্যালয়ে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
* শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সকল বিদ্যালয়ে আম, লিচু, পেয়ারা, আমলকির চারা বিতরণ করা হয়েছে।
* শিশুদের নৈতিক শিক্ষার ভিত শক্ত করতে ১২০ টি বিদ্যালয়ে সততা স্টোর স্থাপন করা হয়েছে।
* ৪টি বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে এবং ০৪টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।
* যে সকল বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ নেই সে সকল বিদ্যালয়ে মাটি ভরাট করে মাঠ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
* শিশুদের বিশুদ্ধ পানি পান নিশ্চিত করার জন্য যে সকল বিদ্যালয়ে নলকূপ নেই সেসব বিদ্যালয়ে নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।
* যে সকল বিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক পাখা নেই সে সকল বিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক পাখা বিতরণ করা হয়েছে।
* শিশুদের বসার জন্য ১১টি বিদ্যালয়ে বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে।
* বর্ষাকালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নৌকার ব্যবস্থাকরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
* ১২৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং পতাকা দণ্ড নিশ্চিত করা হয়েছে।
* হাওর অঞ্চলের কোমলমতি শিশুদের সহজে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট, নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
* কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে পুরস্কারস্বরূপ স্কুলব্যাগ এবং শিশুতোষ বই বিতরণ করা হচ্ছে।
আশাকরি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অচিরেই শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, শিক্ষার গুণগতমান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ঝরে পড়ার হার শূন্যে নেমে আসবে। ফলে ৪নং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অনুযায়ী সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হবে; যা হবে প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অর্জন।
[ইয়াসমিন নাহার রুমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুনামগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী