বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

Notice :

দোয়ারাবাজার স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন গঠন ও একটি প্রস্তাবনা : মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী

২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী গৃহিত নীতিমালাগুলো বাস্তবায়ন করা জরুরি। এরই ধারাবাহিকতায় ঘোষিত ও স্বীকৃত দুর্গম উপজেলাগুলোর সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কেননা সর্বত্র সবধরনের দারিদ্র বিমোচন ও লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং নারী ক্ষমতায়নের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে পরিকল্পিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। প্রথমেই হাওর-বাঁওর ও স্বীকৃত দুর্গম উপজেলাগুলোকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে রূপান্তরিত করতে পৃথক সংসদীয় আসন সৃষ্টি করতে হবে। ওইসব উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সমানভাবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হলেই আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।
আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে থাকলেও বিশষে করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাওর এলাকাগুলো এখনো নানা কারণে পিছিয়ে রয়েছে। বলাই যায়, সমানতালে এখনো অগ্রসর হচ্ছে না হাওরবেষ্টিত এলাকায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা। এখনো হাওরাঞ্চলের মানুষ কাক্সিক্ষত উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় নানাভাবে বঞ্চনার শিকার। যদিও অতীতের তুলনায় এখন অনেক উন্নতির দিকে পৌঁছেছে হাওর জনপদ।
আমাদের দেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিগণিত করতে হলে জাতিসংঘ গৃহিত টেকসই উন্নয়নের যে রোল মডেল উপস্থাপন করা হয়েছে, তার বাস্তবায়ন এবং বর্তমান সরকারের পদক্ষেপগুলো কার্যকর করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গৃহিত পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে তবেই না আমাদের দেশ একটা সময়ে উন্নত রাষ্ট্রে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এমনিতেই বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং হাওরাঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে এখানকার উন্নয়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জিং ধাপ রয়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে চ্যালেঞ্জিং ধাপগুলো অতিক্রান্ত হলেই হাওরাঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলোতে উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন সক্ষম হবে বলে মনে করছি। অধিকন্তু বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২৫ ভাগ মানুষের বসবাস এই হাওরাঞ্চলে। ফলে এখানকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন আদৌ কল্পনা করা যায় না।
সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলা সরকার স্বীকৃত একটি দুর্গম উপজেলা। এটি দুর্গম উপজেলা হিসেবে ঘোষিত হলেও বাস্তবতায় এর অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য আজোবধি তেমন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। দুর্গম উপজেলা হিসেবে কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই এর সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু এর ফলে এখানকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি, কিংবা জনপ্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।
দোয়ারাবাজার উপজেলা একটি সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা হওয়াতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌসুমী ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার সিংহভাগ এলাকা বছরের অর্ধেক সময় পানির নিচে নিমজ্জিত থাকে। সে সময়ে এখানকার অধিকাংশ মানুষের হাওর-জলাশয়ে ও নদীতে মাছ ধরা ছাড়া আয়ের অন্য কোনো উৎস থাকে না। বছরের অবশিষ্ট সময় কৃষিকাজ বালু, পাথর আহরণ, পাথর কোয়ারিতে শ্রমিকের কাজ ও দিন মজুরী করেই বেশিরভাগ মানুষকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। পক্ষান্তরে বিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন বিশেষ করে একটি শিল্প এলাকা ও দুর্গম এলাকা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন থাকার কারণে শুরু থেকে নানা কারণে উন্নয়নের দিক দিয়ে পিছিয়ে রয়েছে দোয়ারাবাজার উপজেলা। আর এর পেছনে সঙ্গত অনেক কারণও বিদ্যমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, মেঘালয়ের পাদদেশে অবস্থিত খনিজ সম্পদ, শিল্প ও ব্যবসা বণিজ্যে সমৃদ্ধশালী একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল বৃহত্তর ছাতক। অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক কারণেই এর উন্নয়নের চাহিদা ও লক্ষ্যমাত্রাও অধিক। আর তা হওয়াটাই স্বাভাবিক। জাতীয় অর্থনৈতিক চাকাকে সচল করার লক্ষ্যে অপার সম্ভাবনাময় এ অঞ্চলে দ্রুত শিল্পায়ন এবং প্রশাসনিক সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে আসার নিমিত্তে ছাতককে জেলাকরণের দাবি দীর্ঘদিনের। ছাতকের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন উপজেলা গঠনসহ বহু বছর ধরেই ছাতককে পৃথক জেলাকরণের আন্দোলনও চলে আসছে। এতে করে দোয়ারাবাজারকে স্বতন্ত্র নির্বাচনী এলাকা গঠন পূর্বক ছাতককে জেলায় উন্নীত করা হলে এলাকার জনপ্রত্যাশাও পূরণ হবে।
অপরদিকে, পূর্ব হতেই দোয়ারাবাজার একটি অনুন্নত ও পশ্চাৎপদ হাওর এলাকা হওয়ায় এই উপজেলার মানুষ কাক্সিক্ষত উন্নয়ন বঞ্চিত। এই অঞ্চলের সচেতন লোকজন মনে করেন, সুনামগঞ্জ সদরের সুরমা নদীর উত্তর এলাকাসহ দোয়ারাবাজার উপজেলাকে একটি স্বতন্ত্র নির্বাচনী এলাকা ঘোষণা করা হলে দুর্গম উপজেলা হিসেবে দোয়ারাবাজার একটি সমৃদ্ধ উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
বলতে দ্বিধা নেই, দেশ স্বাধীনের পর থেকেই সংসদীয় আসনের এক অংশমুখী নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার কারণে দোয়ারাবাজার পিছিয়ে রয়েছে। পিছিয়ে পড়া ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এই উপজেলাকে সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হলে প্রথমত যে উদ্যোগটি গ্রহণ করা প্রয়োজন তা হলো দুর্গম উপজেলা ক্যাটাগরিতে এই অঞ্চলকে বর্তমান বৃহৎ সংসদীয় আসন থেকে পৃথক করা। আর দুর্গম উপজেলা হিসেবে পৃথকীকরণ করার ক্ষেত্রে ওই উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যারও যথেষ্ট সক্ষমতা এবং নির্বাচনী আসন গঠনের প্রায় শর্তাদি পূরণ করাও সম্ভব। একটি দুর্গম উপজেলা হিসেবে স্বতন্ত্র সংসদীয় আসনের অনুকরণও বাংলাদেশে বিদ্যমান রয়েছে। তাছাড়া সারাদেশের গ্রাম পর্যায়ে সমভাবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অব্যাহত রাখার নিমিত্তে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস ও বৃদ্ধিকরণের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও বর্তমান সরকারের রয়েছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহল এ নিয়ে নানা পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকটি স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন রয়েছে যা দুর্গম হওয়ার কারণে এক উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে এক একটি নির্বাচনী আসন।
এ প্রসঙ্গে প্রবীণ রাজনীতিবিদ শাহজাহান মাস্টার ও আবাদি কৃষক নেতা আব্দুল আওয়াল যৌথভাবে সহমত পোষণ করেন যে, জাতিসংঘ গৃহিত টেকসই উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন এবং বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বৃহৎ নির্বাচনী এলাকা থেকে পৃথকীরণের মাধ্যমে দুর্গম উপজেলা হিসেবে দোয়ারাবাজারকে স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন করা প্রয়োজন। তাহলেই একটি শিল্প এলাকা এবং দুর্গম এলাকার উন্নয়নে সমতা ফিরে আসতে পারে এবং বর্তমান সরকারের ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা তা বাস্তবায়ন হবে বলেও তারা মনে করেন।
তাদের মতে- একটি শিল্প এলাকা ও দুর্গম এলাকার সমন্বয়ে গঠিত সংসদীয় এলাকা হওয়ায় দুর্গম এলাকাটি উন্নয়ন বিবেচনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এছাড়া বহুজনসংখ্যা অধ্যুষিত বিশাল এলাকা নিয়ে সংসদীয় এলাকা থাকায় বরাবরই অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যা সমীকরণে অধিকন্তু একচ্ছত্র নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের ফলে সঙ্গত কারণেই আমাদের দোয়ারাবাজার উপজেলা এক তৃতীয়াংশ উন্নয়নের অংশীদার হয়ে থাকে। হিসাব কষলে দুই উপজেলার সার্বিক চিত্রপট যেমন ভিন্ন তেমনি উন্নয়নের অগ্রযাত্রায়ও বিস্তর ফারাক রয়ে গেছে। দেশ স্বাধীনের পর ছাতকে বেশ শিল্প কারখানা গড়ে ওঠলেও সমান ভৌগোলিক অবস্থান থাকার পরও একটি শিল্প-কারখানাও দোয়ারাবাজারে গড়ে ওঠেনি। বরং বহুবার এই অঞ্চলে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ অদৃশ্য কৌশলের কারণে ভেস্তে গেছে। এর নিরসন কেবল নির্বাচনী এলাকা পৃথকীকরণের মাধ্যমে স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন পুনঃগঠনের মধ্য দিয়ে হতে পারে বলেও তারা মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এখানে দোয়ারাবাজার উপজেলার ভৌগোলিক একটি সমীক্ষা তুলে ধরছি, এ উপজেলার অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২৪ ডিগ্রী ৪৩ দ্রাঘিমার মধ্যে। ২৮৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দোয়ারাবাজার উপজেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য। পূর্বে ছাতক উপজেলা। দক্ষিণে ছাতক ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা। পশ্চিমে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা অবস্থিত। জেলা সদর হতে দোয়ারাবাজারের দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী (২০১৬ খ্রি.) দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৩০৮টি গ্রাম নিয়ে গঠিত দোয়ারাবাজার উপজেলায় বর্তমান লোক সংখ্যা হচ্ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৬০ জন। লোকসংখ্যার ঘনত্ব হচ্ছে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮০২ জন। এ উপজেলায় জন সংখ্যা বৃদ্ধির হার ২ দশমিক ৪২ ভাগ।
দোয়ারাবাজার একটি কৃষি নির্ভর এলাকা। এখানকার প্রধানতম কৃষি সম্পদ হচ্ছে ধান ও সবজি। বিস্তীর্ণ এই জনপদের প্রায় ৯০ ভাগ লোক কৃষক। জীবন ধারণের জন্য কৃষি ফলন ও উৎপাদন এ অঞ্চলের কৃষকদের একমাত্র অবলম্বন। উপজেলায় প্রায় ২২,৯৩০ হেক্টর জমিতে কৃষি আবাদ করা হয়। কৃষি ফসলের মধ্যে এ অঞ্চলে রোপা আমন, আউশ এবং ইরি-বোরো ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী উপজেলায় প্রতি বছর অন্তত শত কোটি টাকার ধান উৎপাদন করেন এখানকার কৃষকরা। এছাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বাংলাবাজার ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে ও সুরমা ইউনিয়নের হাওরপাড়ে ব্যাপকভাবে সবজি চাষাবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। শীত মওসুমে ও ১২ মাসই এইসব এলাকায় কৃষকরা দেশীয় উন্নত জাতের সবজি চাষাবাদ করা হয়। এছাড়া উপজেলায় খনিজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদ এবং সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলা সীমান্তের বাঁশতলা এলাকায় স্থলবন্দর এবং বাঁশতলা-হকনগরসহ সীমান্তের বিশাল এলাকাজুড়ে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এই এলাকা এক সময়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক জোন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। উপজেলার সম্ভাবনাময় খনিজ সম্পদ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত টেংরাটিলা। এখানকার গ্যাসফিল্ড ও অকটেন কূপ পুনঃচালুর মাধ্যমে তেল, গ্যাসের চাহিদা মিটিয়ে এই এলাকাটিও হতে পারে একটি সমৃদ্ধ পর্যটন এলাকা। এসব করতে হলে কেবলমাত্র সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত উদ্যোগের ব্যাপার।
বলা যায়, সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) সংসদীয় আসনটি বৃহৎ সীমানা নিয়ে গঠিত হওয়ার ফলে উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই দোয়ারাবাজার উপজেলা পিছিয়ে। একই সংসদীয় আসনের অংশ হলেও নানা কারণে এই অঞ্চলে সমান গতিতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অনেকাংশে ব্যাহতই হচ্ছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা একটি স্বতন্ত্র নির্বাচনী এলাকা ঘোষণা করা হলে ঘোষিত দুর্গম উপজেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আশানুরূপ উন্নয়ন সাধিত হবে। এছাড়া বৃহৎ নির্বাচনী এলাকা পৃথকীকরণ হলে এখানকার উন্নয়ন বাজেটও বৃদ্ধি পাবে। একক বাজেটে দুর্গম উপজেলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেবে। এখানকার মানুষের দারিদ্র বিমোচনসহ যাতায়াত, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা তথা সর্বস্তরের মানুষের মৌলিক অধিকার ও দৃষ্টান্তমূলক উন্নয়ন ঘটবে। তাই বলা যায় যে- দুর্গম উপজেলা হিসেবে দোয়ারাবাজার স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন সৃষ্টি এখন সময়ের দাবি।
[লেখক মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী, সাংবাদিক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী