শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩০ অপরাহ্ন

Notice :

ভ্যাট আদায়ে দোকানে দোকানে বসছে মেশিন

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ে দোকানে দোকানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বসানোর কাজ চলতি মাসেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।
‘জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহৎ উপলক্ষে রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান তিনি।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “আমি শুনেছি, আমাদের ইএফডি মেশিন চট্টগ্রাম বন্দরে চলে এসেছে। আজকের (রোববার) মধ্যেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে। এই মাসেই এসব মেশিন দোকানে স্থাপন শুরু হবে। প্রথমে ১০ হাজার মেশিন দেওয়া হবে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে ৫০ শতাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এ মেশিন পাবে।”
কোন দোকানগুলোতে প্রথম লাগাবে তা এর মধ্যেই চিহ্নিত করা আছে বলে তিনি জানান।
চলতি অর্থবছর বছরের শুরুতে এসজেডজেডটি-কেএমএমটি-এসওয়াইইএসআইএস ইটালের সমন্বয়ে চীনা কনসোর্টিয়ামকে এক লাখ মেশিন ও ৫০০ সেলস ডেটা কন্ট্রোলারসহ ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএফডিএমএস) সরবরাহ, স্থাপন ও পরিচালনার কাজ দেয় সরকার। প্রতিটি ইএফডি মেশিনের দাম পড়বে ৩২ হাজার টাকা করে, যা কিস্তিতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ১০ হাজার মেশিন লাগানোর পর সেগুলো ঠিকমতো কাজ করলে বাকি ৯০ হাজার মেশিন বসানো হবে। পরে আরো এক লাখ মেশিন কেনা হবে।
রাজস্ব আদায় বাড়াতে জুলাই থেকে ডিভাইসগুলো বসানোর কথা থাকলে তা পাঁচ মাসেও হয়নি। এনিয়ে গত ২৭ নভেম্বর হতাশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।
এসময় মেশিন ক্রয়ে বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে মোশাররফ বলেন, “এটি আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে কিনতে হচ্ছে। আমাদের দেশে এই মেশিন নেই। অন্যান্য দেশের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাদের দেশের উপযোগী একটি প্রেফিকেশন তৈরি করতে হয়েছে। এরপর বিশেষজ্ঞদের দেখিয়ে টেন্ডারি প্রক্রিয়ায় গেছি। এর পর নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটির দর সাব্যস্ত হয়েছে। এরপর এটি আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদনের পরে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। ওয়ার্ক অর্ডারের পরেও ৬ মাস সময় দিতে হয়েছে।”
এছাড়া কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ধারী সবাইকে ফোন করে রিটার্ন দাখিলের জন্য বাধ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, বর্তমানে ৪৬ লাখ টিআইএন ধারী রয়েছে। তাদের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করেছে ২২ লাখ। যারা এখনও রিটার্ন দাখিল করেননি তাদেরকে কর অঞ্চলের কর্মকর্তারা ফোন করবে।
তিনি বলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দাখিল না করা প্রত্যেক টিআইএন ধারীকে ফোন দেবে। তাদেরকে রিটার্ন দাখিল করতে বলা হবে। আর যারা আয়কর দেয়ার যোগ্য তাদের করসহ রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী