সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

Notice :

হাওর জেলাগুলোকে পর্যটনক্ষেত্ররূপে গড়ে তুলতে হবে

দেশে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সামগ্রিক বিবেচনায় একটি পূর্ণ পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে, এই মর্মে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে পত্রিকায়। বর্তমান সরকার এইরূপ আশাব্যঞ্জক কর্মপরিকল্পনা একটার পর একটা গ্রহণ করছেন ও সেগুলো বাস্তবায়নে যথাযথ প্রয়াস প্রচেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। অতীতে কোনও সরকারের পক্ষ থেকে দেশোন্নয়নের লক্ষ্যে এমন ইতিবাচক কর্মপ্রয়াস গৃহীত হতে পরিলক্ষিত হয়নি। বরং তখন গৃহীত পরিকল্পনাগুলো শেষ পর্যন্ত ‘গাই কেনার আগে দোনা কেনা’র পরিকল্পনায় পর্যবশিত হতে দেখা গেছে। যেমন বিদ্যুৎ দেবার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে বিদ্যুৎ না দিয়ে খাম্বা বিক্রির ব্যবসা করা হয়েছে।
আমরা আশা করি : পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে গৃহীত পরিকল্পনাটি কোনওরূপ অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা দীর্ঘসূত্রিতার কবলে পড়ে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যাবে না এবং পিছিয়ে গিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়নকে পিছিয়ে দেবে না দশকের পর দশক। প্রতিবেদনে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ে তোলার প্রসঙ্গটি প্রাধান্য পেয়েছে। এই কার্যক্রমটিকে উপেক্ষা করার কোনও অবকাশ নেই। কারণ পর্যটনসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যটনশিল্পে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু তার আগে দরকার পর্যটক আসার বিষয়টি নিশ্চিত করা। অর্থাৎ সমগ্র দেশকে পর্যটক আকর্ষণে যোগ্য করে তোলা। পর্যটক না পেলে এই ‘পর্যটন শিল্পে দক্ষ কর্মশক্তি’ কার সেবা করবে? সুতরাং দেশে যেমন ‘পর্যটন শিল্পে দক্ষ কর্মশক্তি’ যেমন গড়ে তুলতে হবে, তেমনি তার আগে দেশকে আধুনিক পর্যটনক্ষেত্ররূপে গড়ে তুলতে হবে। দেশকে বিশ্ববিরল পর্যটনক্ষেত্ররূপে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে হাওরকন্যা সুনামগঞ্জসহ অন্যান্য হাওরবেষ্টিত জেলাগুলোকে পর্যটনক্ষেত্ররূপে গড়ে তোলার একটি সর্বাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। আশা করি টাঙ্গুয়া, বড়গোপটিলা, ট্যাকেরঘাট ইত্যাদি স্থান-হাওরের মতো দেশের ভেতরের সকল নৈসর্গিক সৌন্দর্যম-িত জনপদগুলোকে সম্পৃক্ত করে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী