সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

Notice :

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির পর জাতীয়করণের প্রস্তাব করা হবে : এমপি মিসবাহ

স্টাফ রিপোর্টার ::
বিরোধী দলীয় হুইপ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়েছে। ৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির পর্যায়ে নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার মান উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। তিনি হাওরাঞ্চলের কথা বিবেচনা করে একটি মেডিকেল কলেজ সুনামগঞ্জবাসীকে উপহার দিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে শহরের এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইনছান মিঞার সভাপতিত্বে অভিষেক অনুষ্ঠানে এমপি মিসবাহ আরো বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় শিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য শতকোটি টাকা ব্যয় করা হবে। রাষ্ট্রীয় সামর্থ বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের তরুণদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির পর জাতীয়করণের বিষয়ে সংসদে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষকতা হচ্ছে অত্যন্ত সম্মানী পেশা। এ পেশার সম্মান ধরে রাখতে সকল শিক্ষকদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।
শিক্ষক মো. আব্দুল হালিম ও শামসুল আলম রাসেলের যৌথ পরিচালনায় অভিষেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, শিক্ষক সমিতির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. শমসের আলী ও এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বখত বহলুল।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, নিজাম উদ্দিন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নবগঠিত জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম। এর আগে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন শিক্ষক মো. আব্দুল আহাদ ও গীতাপাঠ করেন শিক্ষক রজত কান্তি তালুকদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী