সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ০২:৩২ অপরাহ্ন

Notice :

খেলাঘর কেন করবো? : বিজন সেন রায়

খেলাঘর। একটি সংগঠনের নাম, একটি আন্দোলনের নাম। এই আন্দোলন আমরা কেন করবো? কার জন্য করবো? কারা পক্ষে অথবা বিপক্ষে এই আন্দোলন করবো? প্রশ্নগুলো যতোটা সহজ, উত্তরগুলো তার চেয়েও সহজ, কিন্তু আন্দোলনটা করে দেখানো খুবই কঠিন। অন্তত এখনকার বাংলাদেশে। কারণ এখনকার বাংলাদেশ একটা কঠিন সময় পার করে যাচ্ছে। এই কঠিন সময়টা কী ও কেমন? তার ঠিকঠাক উত্তর না পেলে, আসলে আন্দোলনটাই করা যাবে না।
বিষয়টা ভালো করে বোঝার জন্য একটু পিছিয়ে যেতে হয়। আমরা বাংলাদেশের বাঙালিরা এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষেরা বাংলাদেশে বাস করি। আমরা সকলে ১৯৪৭ সালের আগে ব্রিটিশ শাসনে, ১৯৪৭-য়ের পর পাকিস্তানিদের শাসনে ছিলাম। এই শাসনে থাকার অর্থ হলো আমরা পরাধীন ছিলাম, আমাদের স্বাধীনতা ছিল না। স্বাধীনতা না থাকা মানে দাসত্ব করা। ১৯৭১-য়ের আগে আমরা বলতে গেলে পাকিস্তানিদের দাস ছিলাম। পাকিস্তানিরা তখন আমাদের শোষণ-নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, আমাদের জাতিসত্তাকে মেরে ফেলতে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির উপর তারা আক্রমণ করেছে। আমাদের জন্য সে সময়টা ছিল সত্যি সত্যি একটা কঠিন সময়। আমরা তখন সংগ্রাম করেছি। সেই কঠিন সময়ে আমরা, এ দেশের মানুষেরা, এমনকি শেষে যুদ্ধও করেছি। স্বাধীনতার যুদ্ধ।
১৯৭১-য়ে দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধে জয় লাভ করে দেশ স্বাধীন হয়। সেকথা সকলেরই জানা। সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল নেতার নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে যখন বাংলাদেশ স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলার কঠোর সংগ্রাম করে চলেছে তখন ১৯৭৫-য়ের ১৫ আগস্ট একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। পাল্টে যায় পরিস্থিতি।
ক্ষমতায় বসেন মোশতাক আহমদ। তিনি আওয়ামী লীগ করতেন, কিন্তু মনমানসিকতায় ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল রাজনীতির ঘোর বিরোধী। তার সঙ্গে ছিলেন স্বাধীনতাবিরোধী বা পাকিস্তানপন্থীরা। ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ মোশতাকচক্রকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ইতোমধ্যেই ৭ নভেম্বরে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেন। দেশে সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ও অসাম্প্রদায়িক বামপন্থী রাজনীতিক দলের কর্মী ও নেতাদের কোণঠাসা করার কুমতলবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কবর দিয়ে আবার পাকিস্তানি শাসন ব্যবস্থা কায়েমের সব রকম চেষ্টা চলতে থাকে। যাকে বলে পাকিস্তানিদের বাঙালি দালালদের দ্বারা বাংলাদেশে পাকিস্তানি শাসন। তাই স্বাভাবিকভাবেই দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের ব্যাপক বিস্তার ঘটে, দেশ ফিরে যায় সেই আগেকার পাকিস্তানি শাসনের ধাঁচে। যেমন ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত ২৩ বছর একটানা পাকিস্তানি শাসনের সময় পরাধীন ছিলাম, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ২১ বছর ধরে বাংলাদেশ আসলে তেমনি পরাধীনই ছিল। কেন না এই ২১ বছর পাকিস্তানপন্থীরা এই দেশ শাসন করেছেন, তাঁরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী ছিলেন, বিরোধী ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার। তাঁরা মূলত বাংলাদেশের ভেতরে আর একটি পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করেছেন মাত্র, এর বেশি কীছু তাদের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি। আসলে সম্ভব ছিলও না। বরং তাঁদের শাসনে দেশ পাঁচ পাঁচ বার দুর্নীতিতে বিশ্বের মধ্যে সেরার শিরোপা পেয়েছে। ক্রমে জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে অর্থনীতি ও রাজনীতিতে, অর্থাৎ সমাজের গভীরে। অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতির ব্যাপক দুবর্ৃৃত্তায়ন ঘটেছে। যেটাকে বলা যায়, আমাদের দেশের অর্থনীতিতে মৌলবাদের অর্থনীতি, সরকারের ভেতরে মৌলবাদের সরকার, রাষ্ট্রের ভেতরে মৌলবাদের রাষ্ট্রের বিস্তার কিংবা অনুপ্রবেশ ঘটেছে এবং ধর্মের রাজনীতিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যে, অর্থনীতিতেও ধর্ম ঢুকে পড়েছে। যে-কোনও দেশের উন্নতির জন্য এটা একটা খুব খারাপ লক্ষণ। উন্নত বিশ্বে সাধারণত ধর্মকে রাজনীতি ও অর্থনীতি থেকে তফাৎ করে রাখা হয়। আমাদের দেশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনীতি ও অর্থনীতির সঙ্গে ধর্মকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। অর্থনীতিতে ধর্ম ঢুকে পড়া আর সকল প্রকার প্রগতিশীলতার মূলে কুঠারাঘাত সমান কথা। এখন দিনে দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল থেকে জটিল হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংবিধানের, গণতান্ত্রিক রীতিনীতির ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা সংশ্লিষ্ট মৌলবাদের বিকাশ ঘটেছে দেশের ভেতরে, অর্থাৎ সমাজে ও সংস্কৃতিতে, অনেক মানুষের চেতনায়।
আমাদের অর্থনীতিবিদেরা যে সব কথা বলছেন, সে-সব কথা আরও মারাত্মক। এখানে সব কীছু সহজ করে বলাও প্রায় অসম্ভব। বিষয়টিই অত্যন্ত জটিল। আমাদের বর্তমান অর্থনীতি সম্পর্কে কেউ কেউ বলছেন যে, সেটা ইতোমধ্যে একটা ক্ষতিকর অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। এ অর্থনীতির সবচেয়ে খারাপ দিকটি হল রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে মৌলবাদী অর্থনীতির সতায়তায় জ্ঞানশিক্ষার বিপরীতে পেছনমুখি শিক্ষার প্রসার। এ শিক্ষা প্রগতির দিকে পিছন ফিরে আছে। উদ্দেশ্য আমাদেরকে আবার আদিম গুহামানব বানিয়ে ফেলা। এ ব্যাপারে শেষ কথাটা বললে বলতে হয়, বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থাটাই হয়ে গেছে প্রগতিবিরোধী। যা কেবল আমাদেরকে পিছিয়ে পড়তে বাধ্য করতে পারে, আর কীছুই পারে না, বানাতে পারে পাকিস্তানের মতো একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র, যেখানে মসজিদে আক্রমণ করে এক সঙ্গে ১২৭ জনকে মেরে ফেলা যায়।
বলছিলাম কঠিন সময়ের কথা। এই হলো বাংলাদেশের জন্য, কিংবা বলা যায়, আমাদের জন্য কঠিন সময়। এই কঠিন সময়টাকে অতিক্রম করতেই হবে। একটি অতিক্রমের গল্প বলা যাক। ১৯৭৫ সালে ১৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। বঙ্গভবনে ভিনদেশি কূটনীতিকরা এসেছেন তাঁকে অভিনন্দন জানাতে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে এলো খেলাঘর, কচিকাঁচার মেলা, গার্লস গাইড ও বয়স্কাউটদের শিশু-কিশোর সদস্যরা। কূটনীতিক রাষ্ট্রদূতদের বসিয়ে রেখে বঙ্গবন্ধু বাচ্চাদেরকে সময় দিলেন নির্ধারিত ১০ মিনিটের স্থলে দেড় ঘণ্টা। এক সময় শিশু-কিশোরদেরকে গল্প শুনাতে গিয়ে বললেন, “আজ বগাকে আমি ফাঁদে ফেলেছি। বগা আর চুরি করে মাছ খাওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারছে না। বগা খুব বিপদে আছে রে।” বঙ্গবন্ধুর গল্পের এই ‘বগা’ই হলো আজকের স্বাধীনতাবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি, যারা একাত্তরের যুদ্ধকালে হানাদার পাকিস্তানের পক্ষে ছিল এবং এখনও দেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারছে না। এরা হলো সেই অবাক করা মানুষ, যারা নিজের জন্মভূমির স্বাধীনতা চায় না। আসলে তারা একধরনের অসুস্থ চিন্তার মানুষ, যে-অসুস্থ চিন্তার কারণে তারা নিজ দেশে বিদেশি প্রভুর পা-চাটা গোলাম হয়ে বাঁচতে ভালোবাসে এবং মনে করে দেশপ্রেমের মধ্যে গৌরবের কীছু নেই।
সেদিন বঙ্গবন্ধু যে-গল্পটি শিশু-কিশোরদের শুনিয়ে ছিলেন সেটি ছিল বাংলাদেশের পক্ষে একটি কঠিন সময় অতিক্রমের পরের অবস্থার গল্প। ‘বগা আর চুরি করে মাছ খাওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারছে না’ অর্থাৎ দেশ গড়ার শুরুর গল্প। বগার স্বপ্নসাধের অবসান ঘটেছে। বাংলাদেশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। এখন প্রগতির পথে, দেশের উন্নয়নের পথে কেবল এগিয়ে চলা। এখন আর ‘বগা’ অর্থাৎ পাকিস্তানিরা ও তাদের দালাল বাঙালি কুলাঙ্গাররা এ দেশে আর আগের মতো শাসন-শোষণ চালাতে পারবে না, বগা আর মাছ চুরি করতে পারবে না। কিন্তু এই অতিক্রমের সাফল্য বেশি দিন স্থায়ী হয়নি, বরং স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র সাফল্য লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর শত্রুরা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রুরা, দেশের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসেছিল, ষড়যন্ত্রের জাল তারা ক্রমে ক্রমে গুটিয়ে আনে। ‘মাছ চুরি’র মওকা ছাড়তে চায় না। একসময় সাফল্য লাভ করে ঠিকই। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের শেষ প্রহরে বঙ্গবন্ধু, শিশু রাসেলসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন নির্মমভাবে নিহত হন। এই ঘটনা বাংলাদেশকে ‘স্বাধীনতা রক্ষার কঠোর সময় অতিক্রমের পালা’ থেকে পুনরায় অন্যরকম এক ‘স্বাধীনতা অর্জনের কঠিন সময় অতিক্রমের সংগ্রামের ভেতর’ ঠেলে দেয়। ১৯৭১-য়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম পাকিস্তানীদের কাছ থেকে, ১৯৯৬ ও ২০০৭ সালে স্বাধীনতা অর্জন করতে হলো পাকিস্তানীদের বাংলাদেশি চর স্বাধীনতাবিরোধীদের হাত থেকে।
সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের বিদ্যমান আর্থসামাজিক বিন্যাসের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সময়টা একটি কঠিন সময়ই বটে। অদূর অতীতে এই সময়টা আরও কঠিন হয়ে উঠার আশঙ্কা আছে। আশঙ্কা করছেন অনেকই। তাঁরা হেনতেন কেউ নন, দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদ। বুঝাই যায়, ভাবনা-চিন্তা করেই বলছেন, “শিক্ষা এখন ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকীকৃত। শিক্ষার সাম্প্রদায়িকতার মাত্রা ইতোমধ্যে এতদূর বিস্তৃত হয়েছে যে বাংলাদেশে এখন প্রতি ৩ জন ছাত্রের মধ্যে ১ জনই মাদ্রাসার ছাত্র। এসবই হলো ভবিষ্যতে ধর্মের নামে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে বর্তমানে বিনিয়োগ।” এই তিনটি বাক্যে যে কথা বলা হয়েছে, তার মর্মার্থ বুঝে দেখতে হবে বাংলাদেশকে। ভুলে গেলে চলবে না ঘাপটি মেরে বেসে থাকা প্রতিক্রিয়াশীলরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, ক্ষমতা দখল করতেও এক মুহূর্ত বিলম্ব করেনি। মনে রাখতে হবে, ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতা ও তৎসংশ্লিষ্ট মৌলবাদ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, সংবিধানবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী। এই নিরিখে সময়টা অবশ্যই কঠিন সময়, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই কঠিন সময়কে পেরিয়েই খেলাঘরকে তার পথ চলতে হবে, পিছিয়ে পড়লে চলবে না। এ পথ বড়বেশি দুর্গম।
দেশের ভেতরে খেলাঘর ইতোমধ্যে একটি আন্দোলন হয়ে উঠেছে। উদ্যোক্তারা তো বার বার তাই বলছেন। এই আন্দোলনের ঐতিহাসিক কর্তব্য নির্ধারণের সময় এসে উপস্থিত হয়েছে। এখন পদে পদে অনেক বাধা, অনেক প্রতিবন্ধকতা। সকল প্রকার বাধা ডিঙিয়ে, প্রতিবন্ধকতাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সামনে চলতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্রের পতাকা ঊর্ধ্বে তোলে ধরে পথ চলার শিক্ষায় খেলাঘরকে প্রশিক্ষিত হতে হবে এই মূহূর্ত থেকেই। থেমে গেলে চলবে না। চলাই জীবন, মরণকে জয় করা। গ্রামেগঞ্জে সবখানে রুখে দাঁড়াতে হবে প্রতিক্রিয়াশীলতাকে। ছবি, ছড়া, কবিতা, গল্প, নাটকে রুখে দাঁড়াতে হবে। রুখে দাঁড়াতে হবে নৃত্য, গীত, সংগীতে কিংবা মিছিলে, সভায়, সাংবাদিকতায়। প্রতিরোধের কাজ চালিয়ে যেতে হবে নিরলস, সংস্কৃতির প্রতিটি অঙ্গন-আঙিনায়। খেলাঘরকে আগামী সময়ে সমাজকর্মের যোগ্য কর্মী তৈরি করার কারখানা করে তোলতে হবে, সোনার বাংলা গড়ার শ্রমিক বানাবার কর্মশালায় পরিণত করতে হবে। সোজা কথায় ভবিষ্যতের বিপদ মোকবিলায় প্রতিটি মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে খেলাঘরকে। দেশের এই ক্রান্তিকালে খেলাঘরকে তার কর্তব্য নির্ধারণ করতে হবে এবং সে কর্তব্যে অবহেলা করলে চলবে না। প্রতিহত করতে হবে মৌলবাদী শক্তির ভবিষ্যতের আশায় বর্তমানের বিনিয়োগকে এবং সেই সঙ্গে আগামী বাংলাদেশকে উন্নত ও প্রগতিশীল এক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে হতে হবে ইস্পাৎ কঠিন।
[লেখক : বিজন সেন রায়, সভাপতি, জেলা খেলাঘর, সুনামগঞ্জ এবং চেয়ারম্যান, সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক ক্যাম্প ২০১৮]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী