,

Notice :

মাদক প্রতিরোধ অভিযান জোরদার করতে হবে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও

পত্রিকা খুলে প্রায়ই এমন সংবাদ পাঠ করা যায় যে, সীমান্তে মদের বোতল ধরা পড়েছে। এই মদের বোতল বিদেশি। ভারত থেকে তারা আসে। আজ থেকে সাত দশক আগে এই মদের বোতলের উপর বিদেশি আগন্তুকের তকমা এঁটে দেওয়া হয়ছে, দেশ ভাগের পর। বাংলাদেশে ছাড়পত্র পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ বাংলাদেশে মদ আইনত নিষিদ্ধ পদার্থ। তা হলেও ভারত থেকে মদের বোতলরা নিয়মিত অবতরণ করে এবং দেশের ভেতরে সীমান্তের কড়া প্রহরা এড়িয়ে পাচার হয়ে যায়, যারা ধরা পড়ে না। বাংলাদেশের লোকেদের কাছে নাসিরুদ্দিন যেমন প্রিয় তেমনি প্রিয় অফিসার্স চয়েজ। আর দেশের ভেতরে তো অব্যাহত আছেই দেশির দেদার উৎপাদন। বোতলের চাহিদা ৭০ বছরেও কমেনি এবং কমবে বলেও মনে হয় না। লোকে বোতল খাবেই। তার একটি উদাহরণ হল, গতকালের একটি সংবাদশিরোনাম ছিল, ‘খেতাশার উরুস রোববার ॥ মদ-জুয়ার আসর বসানোর নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি।’ অবস্থা কতোটা সঙ্কটাপন্ন তার বিবরণ মেলে সংবাদ বিবরণী থেকে। বলা হয়েছে, ‘উরুসকে কেন্দ্র করে মেলার আশেপাশে বসে কয়েক শতাধিক মাদকসেবীদের আস্তানা। তারা সেখানে প্রকাশ্যেই মাদক পান করে থাকেন। স্থানীয় মাদক ব্যবসায়িরা ওইদিন বাহির থেকে আমদানী করেন বিভিন্ন প্রকারের মাদক দ্রব্য। উঠতি বয়সি তরুণ ও মাদকসেবীরা উন্মুক্তভাবে গ্রহণ করেন এসব মাদক দ্রব্য।’
বুঝাই যাচ্ছে দেশের ভেতরের অবস্থা বিশেষ ভালো নয়। সামান্য ফাঁক-ফোঁকড় গলে ভেতরের ভয়ঙ্কর অবস্থার কদর্য প্রকাশ ঘটছে। উরুসকে কেন্দ্র করে যে পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করা হয়েছে, তা ‘অবস্থা বিশেষ ভালো নয়’-এর প্রতিই ইঙ্গিত করে। প্রশাসন সে-অবস্থা সম্পর্কে অনবগত, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। কল্যাণকামী শেখ হাসিনার সরকার দেশে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বীরগাঁয়ের অনুষ্ঠিত উরুস ও মেলাকে কেন্দ্র করে মাদক কেনাবেচার বাণিজ্য দেশের যেখানেই দেখা দেবে খোনেই প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে। অভিযান চালাতে হবে ও উত্তরোত্তর জোরদার করতে হবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। বাড়াতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী