,

Notice :

টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী নৌকায় ডাস্ট কালেক্টর বক্স দিবে জেলা পরিষদ


স্টাফ রিপোর্টার ::

টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী নৌকায় ময়লা ফেলার জন্য ডাস্ট কালেক্টর বক্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে টাঙ্গুয়ায় পর্যটকবাহী নৌকাগুলোতে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকরা পলিথিনসহ অপচনশীল বস্তু ফেলে জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও প্রতিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গুয়ার রূপসৌন্দর্য অবগাহন করতে ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। সারাদেশ থেকেই পর্যটকরা আসছেন। ফলে অনেক পর্যটক সচেতনতার অভাবে টাঙ্গুয়ার হাওরের পানিতে পলিথিনসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বস্তু ফেলছেন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে টাঙ্গুয়ার জীববৈচিত্র্য। এভাবে চলতে থাকলে টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি হবে বলে মনে করেন পরিবেশবিদগণ। তাই তারা বিভিন্ন ফোরামে পর্যটকবাহী নৌকাগুলোতে ডাস্ট কালেক্টর বক্স দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।
জানা গেছে, টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটনকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি উদ্যোগে সাধারণ মানের কিছু নৌকা তৈরি হয়েছে। প্রায় অর্ধ শতাধিক নৌকা রয়েছে টাঙ্গুয়ার হাওরে। এসব নৌকার কোনটিতেই ডাস্ট কালেক্টর বক্স নেই। যার ফলে পলিথিন, পানির বোতলসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বস্তু পানিতে ফেলছেন পর্যটকরা। তাছাড়া ইঞ্জিনচালিত নৌকাও জলাবনের গহীনে অবস্থানরত জীববৈচিত্র্যকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। পর্যটকদের সচেতন করার কোন উদ্যোগ না থাকায় এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন নৌকাগুলোতে ডাস্ট কালেক্টর বাক্স না থাকায় হাওরের যত্রতত্র অপচনশীল বস্তু ফেলছেন পর্যটকরা।
তাহিরপুরের চানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য ও অনন্য সুন্দর প্রকৃতির কারণেই সারাবিশ্বে নাম করেছে। এখন প্রাকৃতিক এই সম্পদও হুমকির মুখে। বেশি পর্যটকরা আসায় তারা অসচেতনতার কারণে পরিবেশ নষ্ট করছেন। বিশেষ করে নৌকায় ডাস্ট কালেক্টর বক্স না থাকা তারা হাওরের পানিতে পলিথিন ও বোতলসহ অপচনশীল বস্তু ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছেন।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটকবাহী প্রতিটি নৌকায় ডাস্ট কালেক্টর বক্স দেব। যেখানে পর্যটকরা ব্যবহৃত বস্তু ফেলে দিবেন। পরবর্তীতে নৌকার সংশ্লিষ্টরা উপজেলা সদরে এসে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলে দিবেন। শীঘ্রই আমরা এটা বাস্তবায়ন করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী