,

Notice :
«» সোমবার শহীদ সিরাজ লেকে ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যায়ন «» জামালগঞ্জের দৌলতা ব্রীজ মরণ ফাঁদ «» রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অ্যাড. রুমেন «» আয়কর মেলা সমাপ্ত : ৪ দিনে কর আদায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা «» ‘নীলাদ্রি’ নয় শহীদ সিরাজ লেক নামে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে প্রচারের জন্য স্মারকলিপি «» নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন : সহকারি রির্টানিং অফিসারের কাছে অভিযোগ «» মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসংরক্ষণ কর্মকে প্রবল ও বেগবান করুন «» কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা «» নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা : প্রার্থীরা ঢাকায়, উৎকণ্ঠা উত্তেজনায় কাটছে প্রতি মুহূর্ত «» প্রশাসনের উদ্যোগ : প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যানার পোস্টার অপসারণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন : মাঠে সক্রিয় আ.লীগের ত্যাগী নেতারা

স্টাফ রিপোর্টার ::
জেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জোর প্রচারণা শুরু করেছেন। এককালের তারকা নেতা হিসেবে এখনো মাঠে বিশেষভাবে পরিচিত এই নেতারা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নের দাবিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন তৃণমূলে পৌঁছে দিয়ে তাদেরকে সমর্থন ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছেন।
জানা গেছে, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হায়দার চৌধুরী লিটন (সুনামগঞ্জ-১), কৃষক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক করুণাসিন্ধু চৌধুরী বাবুল (সুনামগঞ্জ-৪), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান আহমদ সেলিম (সুনামগঞ্জ-১), সিলেট ল’কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম (সুনামগঞ্জ-২, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক (সুনামগঞ্জ-৩), সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুজ জহুরের ছেলে জুনেদ আহমদ (সুনামগঞ্জ-৪) জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন। দলীয় মনোনয়নের দাবিতে তৃণমূল চষে বেড়াচ্ছেন তারা। পুরনো দিনের স্মৃতি জাগিয়ে এককালের সক্রিয় কর্মীদের খুঁজে বের করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি মনোনয়নের দাবিতে তাদের সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন।
দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পরও আওয়ামী লীগের এসব তারকা নেতারা নানাভাবে উপেক্ষিত। অনেকেই কমিটিতে যোগ্যতম স্থান পাননি। তাছাড়া সরকারের উন্নয়ন অংশিদারিত্বেও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাদের দূরে রাখছেন। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে এসব ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা বিশেষ ভূমিকা রাখলেও বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই তাদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানেননা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট হায়দার চৌধুরী লিটন বলেন, আমার পরিবার আজীবন আওয়ামী পরিবার হিসেবে জেলাব্যাপী পরিচিত। নিজে ’৭৫ পরবর্তী ছাত্রলীগের দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়েছি। জেল-জুলুম হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘুরেছি। সবসময় রাজপথে সরব থাকলেও আমাদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন নেই। সম্প্রতি আমাদের নেত্রী তৃণমূলের পরীক্ষিতদের খোঁজ-খবর নিতে শুরু করায় আমরা আশাবাদী হয়ে ওঠেছি। নেত্রী আমাদের অভিভাবক। তাছাড়া এলাকার সাধারণ মানুষও আমাকে এলাকায় কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।
একই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান আহমদ সেলিম বলেন, দলের দুঃসময়ে আমরা ছিলাম। এখনো আছি। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ছেড়ে যেতে পারবনা। তিনি বলেন, যারা খাই খাই করে তাদের দিন শেষ। এখন ত্যাগী ও নিবেদিতদের দিন। আমি আমার নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তৃণমূলে কাজ করছি। আশা করি নেত্রী আমাকে মূল্যায়ন করবেন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, আমি প্রবাসে থাকলেও নিয়মিত এলাকায় এসে কাজ করছি। এলাকার মানুষের দুঃসময়ে সহযোগিতা করছি। তাছাড়া সম্প্রতি লন্ডনেও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুরের তরুণদের নিয়ে মহাসমাবেশ করেছি। তারা আমাকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাছাড়া নেত্রীও আমাকে এলাকায় নিয়মিত কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী