,

Notice :

সেবা নিশ্চিতে ব্যাংকের শাখা বাড়ানোর তাগিদ

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
বর্তমান সরকারের আমলে নাগরিকদের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ ব্যবহারের মাধ্যমে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ব্যাংকিং সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ব্যাংকগুলোর শাখা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
বৃহ¯পতিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে ‘বাংলাদেশের জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কৌশলপত্র’ শীর্ষক এক কর্মশালায় অর্থমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. ইউনুসুর রহমান।
কর্মশালায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, ডিএফআইডির আবাসিক প্রতিনিধি জেইন এডমন্ডসন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরিজিৎ চৌধুরী। প্রতিবেদন তৈরির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন কৌশলপত্রের লিড কনসালট্যান্ট ড. মুস্তফা কে মুজেরি। বাংলাদেশের জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কৌশলপত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (ডিডি) আসিফ ইকবাল।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পদ্ধতিতে আমরা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কার্যক্রম বাড়ানোর চেষ্টা করেছি- ব্যাংকের শাখা বিস্তৃত করা এবং সকলের কাছে ব্যাংকের সেবা পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন খুব বড় নয়। কারণ, ব্যাংকের শাখা এখন সারাদেশে ১০ হাজারের কিছু কম আছে। ১৬ কোটি মানুষের জন্য এটা মোটেই যথেষ্ট না। ব্যাংকের শাখা আরো অনেক বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।
আবুল মাল আবদুল মুহিত তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ১০ দিন ছুটি পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, বাজেট পাশের পর থেকেই আমি চেষ্টা করছিলাম কাজ একটু কম করার। আজ থেকে আমার ১০ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। টানা কাজ করার কারণে শক্তি ক্ষয় হতেই থাকে। এই ক্ষয় হওয়া শক্তি ফিরে পাওয়া সহজ নয়। আমি চেষ্টা করব এই ১০ দিনের মধ্যে ক্ষয় হওয়া শক্তি কিছুটা ফিরে পাওয়ার।
প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, দারিদ্র্য বাংলাদেশে আছে। তবে সেটা মোকাবিলা করার প্রচেষ্টা আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রয়েছে। বর্তমান সরকার সংস্কার কাজে হাত দিয়েছে। ভবিষ্যতে আর্থিক খাতে আরো সংস্কার হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। দেশ থেকে দুর্নীতি কমাতে আমাদের সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক কাজের ক্ষেত্রে বীমা খাতের সংস্কার দরকার। প্রতিটি কাজে আমাদের উদ্ভাবনী পথ খুঁজে বের করতে হবে। প্রয়োগ করতে হবে উদ্ভাবনী শক্তি, যেমন: বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি অর্থ দেওয়ার পদ্ধতি বন্ধ করে একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম অনেকখানি হয়ে যাবে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, এখন আমাদের ব্যাংকের শাখা বাড়ানোর দিকে না গিয়ে বিকল্প উপায়ে সকল মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণের চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং এবং এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী