,

Notice :
«» জেলা প্রশাসকের সাথে রিপোর্টার্স ইউনিটি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ «» সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে হবে : জেলা প্রশাসক «» জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ «» কালনী নদী থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার «» স্বেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল «» সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনে জরুরি সভা আজ «» দুর্গাপূজা উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে «» নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন ৯৪৯৮, চলছে যাচাই-বাছাই «» দ্বিমুখী ক্ষতি থেকে অভিভাবকদের রক্ষা করুন «» টাঙ্গুয়ার হাওর : নৌ মালিক-চালকদের কাছে জিম্মি পর্যটকরা

রাগীব আলী ও তার ছেলের সাজা বহাল

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
আপিলেও রাগীব আলী ও তার ছেলের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেওয়া ১৪ বছরের সাজা বহাল রয়েছে। বৃহস্পতিবার আপিল শুনানি শেষে সিলেটের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জননিরাপত্তা বিঘœকারী ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নওশাদ আহমদ চৌধুরী।
তিনি জানান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতি করে তারাপুর চা বাগান দখলের মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইকে অভিযুক্ত করে ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের তৎকালীন বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো ১৪ বছরের সাজা দেন। সেই সাজার বিরুদ্ধে রাগিব আলী সিলেট বিশেষ দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন। কয়েক দফা আপিল শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় বহাল রাখা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, তারাপুর চা-বাগানের ভূমি আত্মসাতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতির মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইকে ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ১৪ বছরের কারাদ-াদেশ দেন তৎকালীন সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো। রায়ে রাগীব আলী ও তার ছেলেকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদ-, অনাদায়ে এক বছরের কারাদ- দেওয়া হয়েছে। রায়ের পর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই সময় আদালত এ মামলার রায়কে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রায় অভিহিত করে বলেন, রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাই শুধু সিলেট নয়, দেশের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। এ ধরনের প্রভাবশালী ব্যক্তি কীভাবে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে নিজের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি জালিয়াতি করে এবং মানবিকতার মুখোশ পরে জনসম্পদ আত্মসাৎ করছে তার উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত এটি। এ মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এছাড়া আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাগীব আলীর পক্ষে তার মালিকানাধীন চা-বাগানের দুজন ব্যবস্থাপকও সাক্ষ্য দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী