,

Notice :
«» জেলা প্রশাসকের সাথে রিপোর্টার্স ইউনিটি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ «» সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে হবে : জেলা প্রশাসক «» জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ «» কালনী নদী থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার «» স্বেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল «» সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনে জরুরি সভা আজ «» দুর্গাপূজা উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে «» নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন ৯৪৯৮, চলছে যাচাই-বাছাই «» দ্বিমুখী ক্ষতি থেকে অভিভাবকদের রক্ষা করুন «» টাঙ্গুয়ার হাওর : নৌ মালিক-চালকদের কাছে জিম্মি পর্যটকরা

দেশে এক লাখের বিপরীতে চিকিৎসক মাত্র ২৮ হাজার

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে এই মুহূর্তে ১ লাখ চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে সরকার নিবন্ধিত চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ২৮ হাজার। সরকার অচিরেই আরো ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মান্নান ও মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের পৃথক দুটি প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, চিকিৎসক নিয়োগে সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে এ সঙ্কট কেটে যাবে। তবে এটা দ্রুতই সমাধান করা যাবে না। আমাদের মেডিকেল কলেজ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী বের হয়। তাই চাইলেই আজকে সব সমাধান করা সম্ভব না।
ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের বিরুদ্ধে তেমন একটি অভিযোগ নেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ঔষধ প্রশাসন ভালো কাজ করছে। তাছাড়া আমাদের ফার্মাসিটিউক্যাল কোম্পানি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে এখন ২৮ ধরনের ওষুধ তৈরি হচ্ছে। আমরা ইউরোপ আমেরিকাসহ প্রায় ১৫০টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছি।
তিনি বলেন, ঔষধ প্রশাসনের তৎপরতার কারণে নকল ওষুধ ধরতে সক্ষম হচ্ছি। এরই মধ্যে আমরা খারাপ বা ভেজাল ওষুধ উৎপাদন করায় ৩০টা কোম্পানি বন্ধ করে দিয়েছি। যদিও উচ্চ আদালতের আদেশ নিয়ে কিছু কোম্পানি আবার উৎপাদন শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে আমরা উৎসাহ দিচ্ছি না।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে জেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তার গাড়ির চাইতে অ্যাম্বুলেন্স বেশি প্রয়োজন। যে কারণে এই কয়েক বছরে ৪০০টি অ্যাম্বুলেন্স কেনা হয়েছে। আর গাড়ি কেনা হয়েছে মাত্র ৫০টি। যে কারণে সব জায়গায় গাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী