,

Notice :
«» সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ সিংহ কে বিদায়ী সংবর্ধনা «» বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে অবদানে পুরস্কার বিতরণ «» রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে –কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন «» পাকনা হাওরের : স্কিম গ্রহণ সংক্রান্ত জন-অংশগ্রহণমূলক মতবিনিময় «» জামালগঞ্জে নাশকতার মামলায় ৪ জন গ্রেফতার «» প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গীর আলম «» পরিত্যক্ত গুদামঘরটি অপসারণ করুন «» বিএনপির রাজনীতি : আন্দোলনের ফাঁকে নির্বাচনী প্রচারণা «» ভিডিও কনফারেন্সে তাহিরপুরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী «» গ্রেনেড হামলার রায় প্রত্যাহারে বিএনপির কালো পতাকা মিছিল

খালেদার স্ট্রোক হয়নি, সুগার কমেছিল: ওবায়দুল কাদের

সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্ট্রোক হয়নি, সুগার কমেছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
বিএনপির ৭৩ বছর বয়সী চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাকে বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানোর দাবি করে আসছেন দলের নেতারা। খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা শনিবার তাকে কারাগারে দেখে আসার পর বলেছিলেন, গত ৫ জুন খালেদার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বোঝা যাবে তার কী হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে বিএনপি নেত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে রোববার আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।
এদিকে গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ স¤পাদক কাদের বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আইজি প্রিজন্সের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার যে বিষয়টিকে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা মাইল্ড স্ট্রোকের কথা বলেছেন, আমাকে আইজি প্রিজন্স সে ব্যাপারে বলেছেন, তিনি জেলখানার কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন এটা মাইল্ড স্ট্রোক নয়, তার সুগার ফল হয়েছিল কিছুক্ষণের জন্য। এ কারণে শারীরিক অবস্থার যে অবনতি হতে পারত একটা চকলেট খাওয়ানোর পর তা রোধ করা গেছে বলে কাদেরের ভাষ্য। তারপরও বেগম জিয়াকে অনুরোধ করা হচ্ছে বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করার জন্য। তিনি রাজি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। তিনি দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার চিকিৎসায় কোনো উপেক্ষা বা গাফিলতি হওয়ার বিষয় আমরা কেউ সাপোর্ট করি না। শেখ হাসিনার সরকার এখানে কোনো গাফিলতি করবে এমনটা মনে করার কারণ নেই।
এ সময় বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের হুমকি উড়িয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদকে নিয়ে তিনি বলেন, মওদুদ আহমদ কথা বলার সময় গরম, কিন্তু অ্যাকশনের সময় তার মতো পলায়নী মনোবৃত্তি এদেশে কোন রাজনীতিকের মধ্যে আছে তা আমার জানা নেই। তার স্বরে আন্দোলনের চিৎকার করেন। কিন্তু যখন আন্দেলনটা শুরু হয় তখন হঠাৎ করে তিনি বিদেশে চেলে গেছেন। তার মুখে এসব কথা ‘আষাঢ়-শ্রাবণের আকাশে মেঘের তর্জন-গর্জন’ বলে মন্তব্য করেন কাদের।
ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, “তিনি এখন গণতন্ত্রের বড় প্রবক্তা হয়েছেন। তাকে এদেশের মানুষ খুব ভালো করেই জানেন কখন কোন পার্টি করেছেন। চৌদ্দগ্রামের এক্সিডেন্টের পর বেগম জিয়াকে হাসপাতালে রেখে তিনি গিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি সেই মওদুদ। তিনি বহুরূপী রাজনীতিক। তার গণতন্ত্র হচ্ছে সাহেব বিবি হয়ে যায়, বিবি হয়ে যায় সাহেব। কথায় কথায় রূপান্তর। নিজের সুবিধামতো তারা গণতন্ত্রের কথা বলেন। তিনি ২০টি ফেইক আইডি খুলেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তিনি হচ্ছেন ফেইক মওদুদ আহমদ সাব।
মন্ত্রী গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি বার বার একটা কথা বলছি, সড়কের কারণে কোনো যানজট হবে না। কোনো কোনো পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়েছে সড়কে যানজট হবে না, এটা আমি বলিনি। আমার বক্তব্যকে কেউ বিকৃতভাবে প্রচার করবেন না।
ফিসনেসবিহীন গাড়ি বিকল হয়ে সড়কে যানজট হয় উল্লেখ করে কাদের বলেন, আমরা চাচ্ছি ফিটনেসবিহীন গাড়ি যতটা কমানো যায়। যদি রং সাইডে গাড়ি যায় তখন যদি যানজট হয় আমি এটা বন্ধ করব কেমন করে। এজন্য তো সড়ক দায়ী নয়।
অতিবৃষ্টির কারণে যে সব রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, খুব বৃষ্টি হলে হয়ত রাস্তায় গাড়ির একটু স্লো ¯িপড হতে পারে, কিন্তু কোনো অবস্থায় সড়কের জন্য গাড়ি বন্ধ থাকবে না। গাড়ি বন্ধ হতে পারে গাড়ি রংসাইডে আসা, বন্ধ হতে পারে ফিটনেসবিহীন গাড়ি যখন রাস্তায় অচল হয়ে যায়, যখন মির্জাপুরে বিশেষ ট্রেন যাতায়াত করবে সে সময় একটা যানজট হবেই, এটা কেউ রুখতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না রেলওভার পাস নির্মাণকাজ শেষ না হবে।
ঈদ সামনে রেখে আগামী ১২ জুন চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সড়কের ফোর লেন পুরোপুরি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, “এখানে ২৬টি ব্রিজের মধ্যে ২৩টি ব্রিজও খুলে দেওয়া হবে, ২৩টি ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চলবে। সেটার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এখন আমরা করতে পারছি না। তবে ঈদের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন।”
কোনো নির্মাণ কাজের জন্য যদি রাস্তায় যানজট হয় তবে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। রাস্তায় নতুন করে যে কোনো ধরনের খোঁড়াখুঁড়ির কাজও বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাস্তার কোথাও যাতে পানি না জমে তার জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, গাজীপুর অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপদের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী