রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

Notice :

সুনামগঞ্জের মানুষ সুন্দরের পক্ষে সরলতা নিয়ে কাজ করেন -ব্যারিস্টার ইমন

স্টাফ রিপোর্টার ::
শহরের একঝাঁক সংস্কৃতিমনা তরুণদের সংগঠন সুনামগঞ্জ কালচারাল ফোরামের ৩য় বর্ষপূর্তি উদ্যাপনকে ঘিরে একটা উৎসব। নানা রঙে সাজিয়ে রাখা একটা মঞ্চ। নজরকাড়া আলোকসজ্জা আর আতশবাজি ও বর্ণিল ফানুসের উড়ন্ত ভালোলাগা। একটা সন্ধ্যাকে একটু ব্যতিক্রম করে সাজিয়ে তোলার চেষ্টা। তাই শহরের শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তন প্রাঙ্গণ যেনো হয়ে উঠেছিল সংস্কৃতিমনা মানুষদের আনন্দ আড্ডার কেন্দ্রস্থল।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ কালচারাল ফোরামের ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে ছিল উৎসবের আমেজ। নানা শ্রেণি পেশার মানুষের মিলনমেলায় আনুষ্ঠানিকতার প্রারম্ভিক মুহূর্তে নানা রঙের ফানুস উড়িয়ে উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন। একই সময়ে আতশবাজিতে মেতে ওঠেন কালচারাল ফোরামের সদস্যরা।
পরে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভার। সুনামগঞ্জ কালচারাল ফোরামের সভাপতি সোহেল রানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমি দেশের যে অঞ্চলেই যাই সেখানে নান্দনিক সুনামগঞ্জের কথা বলি। আমি আমার পরিচয় সিলেটের সন্তান হিসেবে উপস্থাপন করি না বরং আমি নিজেকে সুনামগঞ্জের ছেলে বলেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমাকে এ পরিচয় দিতে শক্তি যোগায় সুনামগঞ্জের সংস্কৃতি আর এখানকার সংস্কৃতিপাগল তরুণরা। সুনামগঞ্জকে আমি পুরো বাংলাদেশের সকল অঞ্চল থেকে আলাদা মনে করি। কারণ এখানকার সংস্কৃতি অন্যান্য অঞ্চল থেকে ভিন্ন, এখানকার মানুষ সৃষ্টিশীলতায় বিশ্বাস করে। এখানকার মানুষ শান্তিপ্রিয়। সৃষ্টিশীল চিন্তা-চেতনায় এখানকার মানুষের সময় অতিবাহিত হয়। সুনামগঞ্জের মানুষ সুন্দরের পক্ষে সরলতা নিয়ে কাজ করেন। এজন্যেই আমরা নান্দনিক সুনামগঞ্জের স্বপ্ন দেখি।’
তিনি কালচারাল ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করে তোলতে ১ লক্ষ টাকা অনুদানের আশ্বাস দেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও জাসদ সভাপতি আ ত ম সালেহ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও হাসনরাজা ট্রাস্টের সভাপতি দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী।
বর্ষপূতির আনন্দ সকলের সাথে ভাগাভাগি করে নিতে পরে কালচারাল ফোরামের সকল সদস্যকে নিয়ে কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ।
পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তোলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষভাগে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে কালচারাল ফোরামের সদস্যসহ স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। এ আয়োজনটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল থিয়েটার সুনামগঞ্জ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন শাহজামান চৌধুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী