শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

Notice :

আজ ২৬ ইউপিতে ভোট : ২৪২ ভোটকেন্দ্রের ৮৭টিই ঝুঁকিপূর্ণ

মো. আমিনুল ইসলাম ::
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৩য় দফা ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থী বাছাই করবেন আজ। শনিবার সকাল থেকেই এ তিন উপজেলার মোট ২৪২টি ভোটকেন্দ্রে শুরু হবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম। ইতিমধ্যে নির্বাচনকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব পাওয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় পৌঁছেছেন। পাশাপাশি ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় সরঞ্জামাদিও ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এ নির্বাচনে দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার, নরসিংপুর, দোয়ারাবাজার, মান্নারগাঁও, পান্ডারগাঁও, দোহালিয়া, লক্ষ্মীপুর, বোগলা বাজার ও সুরমা ইউনিয়নের ৮২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর, গৌরারং, মোহনপুর, লক্ষণশ্রী, কুরবান নগর, মোল্লাপাড়া, জাহাঙ্গীর নগর, সুরমা ও কাঠইর ইউনিয়নের ৮৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক, জয়কলস, পশ্চিম পাগলা, পূর্ব পাগলা, দরগাপাশা, পূর্ব বীরগাঁও, পশ্চিম বীরগাঁও ও পাথারিয়া ইউনিয়নের ৭৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।
নির্বাচনে তিন উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের মোট ২৪২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিতে রয়েছে ৮৭টি ভোটকেন্দ্র। এছাড়াও এসব ইউনিয়নে কিছুটা কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে আরো ৪০টি কেন্দ্রকে। যদিও জেলা পুলিশের মতে কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রসহ সকল ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার মোকাবেলা করতে তারা থাকবেন হার্ডলাইনে। জাল ভোট ঠেকাতে নেয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ। রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১লক্ষ ৩৫হাজার ৮শ’ ৭৮জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৬৭ হাজার ৫৩০জন ও পুরুষ ভোটার ৬৮ হাজার ৩৪৮ জন।
এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে রয়েছেন ৪৯জন প্রার্থী। সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রার্থীতা করছেন ১১২জন ও সদস্য পদে লড়ছেন ৪০৬জন প্রার্থী।
সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. হোসেন আলী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ফুল মিয়া (ধানের শীষ), জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়াহাব (খেজুর গাছ), স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া (আনারস), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী শওকত আলী (লাঙল) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
এ উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমির হোসেন রেজা (আনারস), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুছ ছাত্তার ডিলার (নৌকা), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুছ ছাত্তার (লাঙ্গল), বিএনপি মনোনীত সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ ), কোরবাননগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বরকত (আনারস), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কোহিনূর আলম (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মনফর আলী (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুক মিয়া (ঘোড়া), মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস ছোবাহান (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজমল হোসেন (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী আল-আমিন (ঘোড়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরুল হক (আনারস), জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ফয়জুর রহমান (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মশরফ উদ্দিন মশির (মোটর সাইকেল), রঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল করিম (চশমা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালিক (মোটর সাইকেল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ রাজা চৌধুরী (ঘোড়া), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল হাই (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন (আনারস) প্রতীকে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ রয়েছেন।
এছাড়াও এ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল কাদির (আনারস), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ওসমান গণি (ধানের শীষ), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মোকছুদ আলী (নৌকা), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী রশিদ আহাম্মেদ (লাঙ্গল), মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাজুল ইসলাম (ধানের শীষ), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী নূরুল হক (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগ মনোনীত মঈনউল হক (নৌকা), কাঠইর ইউনিয়ন পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আঞ্জব আলী (ঢোল), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন (ঘোড়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন (মোটর সাইকেল), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুল ইসলাম (ধানের শীষ), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী ফারুক মিয়া (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. বুরহান উদ্দিন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুর রহমান (আনারস), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শামছুল ইসলাম (খেজুর গাছ,) স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম (চশমা), স্বতন্ত্র প্রার্থী শিরতাজ আহমদ (টেলিফোন), লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ (ধানের শীষ), জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নান (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইয়াকুব বখ্ত (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রাথী ফারুক রশিদ (ঘোড়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী রকিব মিয়া (আনারস) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
এদিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৬১ জন প্রার্থী। তন্মধ্যে আ.লীগের নৌকা প্রতীকে ৯ জন, আ.লীগের বিদ্রোহী ১৭ জন। বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকে ৯ জন, বিএনপির বিদ্রোহী ১৩ জন, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ৬ জন, বিদ্রোহী ১জন এবং স্বতন্ত্র ৭ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। অস্তিত্বের লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন ৭ বর্তমান চেয়ারম্যান। যাদের মধ্যে ৬জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। আর একমাত্র সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান মাস্টার বিএনপি’র মনোনীত হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে রয়েছেন। ৭ জনের মধ্যে আজ জনগণের রায়ে যে কেউ পরাজিত হলে আগামী দিনে রাজনীতির মাঠেও তাঁরা অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই তাঁরা ভোটের মাঠে ছিলেন কোমর বেঁধে। ৯ ইউনিয়নের মধ্যে দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে শুধু উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খাঁন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও বাকি ৮ ইউনিয়নের মধ্যে পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ পেয়েছিলেন আ.লীগের মনোনয়ন। অন্য ৭জনই দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে অস্তিত্বের মুখোমুখি হয়েছেন।
উল্লেখ্য, চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেনÑ নরসিংপুরে বিএনপি’র সামছুল হক নমু, জাপার আবুল কালাম মো. সদরনূর, স্বতন্ত্র কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, আজিজুর রহমান ও প্রবাসী আব্দুল আলী, আ.লীগের আব্দুর রশিদ তালুকদার, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, একেএম আইয়ূবুর রহমান রহমানী, নূরুল আমিন ও শাখাওয়াৎ হোসেন চৌধুরী।
বাংলাবাজারে আ.লীগের এম আবুল হোসেন, বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান জসিম আহমদ রানা, বিএনপি’র আব্দুর রহিম, বিদ্রোহী মুর্শেদ আলম, জাপা’র বিদ্রোহী আবু ছালেহ।
সুরমায় বিএনপি’র শাহজাহান মাস্টার (বর্তমান চেয়ারম্যান), বিদ্রোহী প্রার্থী হারুন অর রশিদ, জাপা’র ইকবাল হোসেন বুলু, আ.লীগের খন্দকার মামুনুর রশিদ, বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ূন রশিদ, স্বতন্ত্র আব্দুল বাখির।
বোগলাবাজারে আ.লীগের মিলন খান, বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী আপন, বিএনপি’র আরিফুল ইসলাম জুয়েল, বিদ্রোহী প্রার্থী জামাল উদ্দিন, জাপার ডা. গিয়াস উদ্দিন।
লক্ষ্মীপুরে আ.লীগের জহিরুল ইসলাম, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আমিরুল হক, বিএনপির আতাউর রহমান স্বপন, বিদ্রোহী প্রার্থী খলিলুর রহমান ও হারুনুর রশিদ, জাপা’র জালাল আহমদ, স্বতন্ত্র রইছ মিয়া।
পান্ডারগাঁওয়ে আ.লীগের আব্দুল ওয়াহিদ (বর্তমান চেয়ারম্যান), বিদ্রোহী প্রার্থী আমজাদ আলী, মোহাম্মদ আলী ও প্রবাসী হুমায়ূন কবীর চৌধুরী, বিএনপির আব্দুস শহিদ বাপন, বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ, স্বতন্ত্র ধন মিয়া।
দোহালিয়ায় জাপা’র লিপিয়া বেগম, আ.লীগের আনোয়ার মিয়া আনু, বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, শামীমুল ইসলাম শামীম, এমরাজ তালুকদার ও রাশেন্দ্র দাস, বিএনপি’র ফখর উদ্দিন, বিদ্রোহী প্রার্থী দেওয়ান হুমায়ূন চৌধুরী, মিজানুর রহমান ও কাজী মাহবুবুল ইসলাম।
মান্নারগাঁওয়ে আ.লীগের বরুণ চন্দ্র দাস, বিদ্রোহী প্রার্থী সামছুদ্দিন আহমদ, বিএনপি’র আবু হেনা আজিজ, বিদ্রোহী প্রার্থী আইন উদ্দিন, ইজ্জত আলী ও কৃষ্ণ মোহন রায়, জাপা’র সিরাজ মিয়া।
দোয়ারাবাজার সদরে আ.লীগের আব্দুল হামিদ, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, বিএনপি’র আব্দুল বারী ও বিদ্রোহী প্রার্থী নূরুল আমিন।
এছাড়া উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৮১টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ৩৮৪ জন এবং ২৭টি সংরক্ষিত আসনে ৯৯ জন সদস্যা প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয়কলস ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া (নৌকা), মো. সমছুননুর (ধানেরশীষ), মো. রাজা মিয়া (আনারস), মো. ওয়ারিশ উদ্দিন (খেজুরগাছ),পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার (নৌকা), মো. নুরুল হক (আনারস), পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের আবু তাহের (ধানেরশীষ), ফয়জুল করিম (নৌকা), আক্তার হোসেন (চশমা), মাসুক মিয়া (আনারস), আমিরুল হক বেগ (মোটর সাইকেল), মাওলানা ছমির উদ্দিন (রিকসা), দরগাপাশা ইউনিয়নে মনির উদ্দিন (নৌকা), সুফি মিয়া (ধানেরশীষ), হারুন মিয়া (লাঙ্গল), পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে রিয়াজুল ইসলাম রাইজুল (নৌকা), মো. তোফায়েল আহমদ (ধানেরশীষ), মো. ছালেক উদ্দিন (মোটর সাইকেল), নুর কালাম (আনারস), বদরুল আলম (খেজুর গাছ), পাথারিয়া ইউনিয়নে আবুল ফয়েজ (নৌকা), আমিনুর রশীদ আমিন (ধানেরশীষ), আংগুর মিয়া (চশমা), শহিদুল ইসলাম (ঘোড়া), সামসুদ্দিন (আনারস), শিমুলবাক ইউনিয়নে মিজানুর রহমান জিতু (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ (চশমা), কবির আহমদ (খেজুরগাছ), শাহীনুর রহমান (আনারস), সৈয়দুর রহমান (ধানেরশীষ) এবং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে জসিম উদ্দিন (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (মোটর সাইকেল), লুৎফুর রহমান খোকন (ধানেরশীষ), মো. এমদাদুল হক স্বপন (চশমা), হযরত আলী (ঘোড়া), সৈয়দ হোসেন জায়গীরদার রানা (টেবিলফ্যান), জাহাঙ্গীর আলম (আনারস)।
তাঁরা প্রত্যেকেই জয় পাওয়ার প্রত্যাশায় দীর্ঘদিন চষে বেড়িয়েছেন নির্বাচনের মাঠ। আজ জনগণের রায়ের দিকেই তাকিয়ে থাকবেন তাঁরা।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করে তোলতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য জেলা পুলিশের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাবের বেশ কয়েকটি পেট্রোল টিম নির্বাচনকালীন সময়ে এলাকায় অবস্থান করবে। সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে বিজিবি সদস্যরা। এছাড়াও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে থাকবে পুলিশের বিশেষ দল এপিবিএন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী